দোহা, মস্কো ও বেজিং: আল উদেইদ এয়ারবেস। দোহা শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত মার্কিন বায়ুসেনা ঘাঁটি। শুধু তাই নয়, পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ সামরিক শিবিরও বটে। কাতারের এই এয়ারবেসে মার্কিন বোমারু বিমানগুলির তৎপরতা আচমকাই বেড়ে গিয়েছে। অপেক্ষা শুধু ওয়াশিংটন থেকে ‘অপারেশন ইরান’ শুরুর সবুজ সঙ্কেতের মেলার। আমেরিকা যখন ইজরায়েলকে সরাসরি সাহয্যের প্রস্তুতি সারছে, উল্টো দিকে তখন জোটবদ্ধ হচ্ছে ইরানের মিত্ররাষ্ট্রগুলিও। ২৪ ঘণ্টা আগেই আমেরিকাকে সতর্ক করেছিল রাশিয়া। বলেছিল, ওয়াশিংটন যেন এই যুদ্ধে না জড়ায়। তেমনটা হলে চেরনোবিলের ঘটনার মতো পারমাণবিক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। এদিনও রুশ বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, ‘আমরা বিশেষ করে ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে দিতে চাই। বর্তমান পরিস্থিতিতে সামরিক পদক্ষেপের ভয়ঙ্কর ফল হতে পারে।’ এবার কড়া বার্তা এল চীনের তরফেও। বৃহস্পতিবার চীনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেছেন, আমেরিকা যেন ভুলেও বল প্রয়োগের কথা না ভাবে। ওয়াশিংটনের তরফে বল প্রয়োগের যে কোনও রকম প্রচেষ্টাকে ইরানের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন বলে বিবেচনা করা হবে। শুধু তাই নয়, সীমান্তে যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করেছে তুরস্কও। তৈরি রয়েছে তাদের বায়ুসেনা। সব মিলিয়ে আড়াআড়ি দুই শিবিরে ভাগ হচ্ছে শক্তিধর দেশগুলি। পশ্চিম এশিয়ার এই যুদ্ধ ঘিরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে দু’টি পৃথক অক্ষ।



