কাঠমাণ্ডু, ১৪ সেপ্টেম্বর: বেকারত্ব, স্বজনপোষণ, মূল্যবৃদ্ধি সহ একাধিক ইস্যু ছিলই। ওলি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ বাড়িয়ে দেয় সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাপগুলির উপর নিষেধাজ্ঞা। তারপরে সরকারের পতন চেয়েই রাস্তায় নেমে পড়ে নেপালের যুবসমাজ। গতসপ্তাহের রবিবার থেকেই ধীরে ধীরে আন্দোলন শুরু হয় কাঠমাণ্ডুতে। সোমবার থেকে বেড়ে যায় আন্দোলনের ঝাঁঝ। তা দমনের জন্য খড়্গহস্ত হয় নেপাল পুলিশ। জনতা-পুলিশ সংঘর্ষে মৃত্যু হয় বহু জনের। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে নেপালের পার্লামেন্ট ভবন, সুপ্রিম কোর্ট, অভিজাত হোটেল থেকে শুরু করে নেতাদের বাড়ি অবধি। মার খেতে হয়েছে মন্ত্রীদের। পুড়িয়ে দেওয়া হয় বেশকিছু সংবাদমাধ্যমের অফিস। সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাপগুলির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি। শেষে কেপি শর্মা ওলির প্রধানমন্ত্রীত্ব ত্যাগের পর পরিস্থিতি শান্ত হতে শুরু করে। ‘জেন-জি’র দাবি মেনেই নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করা হয় সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি-কে। আজ, রবিবার তিনি সেই দায়িত্বভার গ্রহণ করেই একগুচ্ছ ঘোষণা করেছেন।



