নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গুরুত্বপূর্ণ মিটিং। সাইলেন্ট মোডে মুঠোফোন। বিশেষ প্রয়োজেন মোবাইল হাতে নিতেই চক্ষু চড়কগাছ। সতর্কবার্তা জানিয়ে এক আত্মীয়ের টেক্সট। চেয়ার থেকে লাফিয়ে উঠেছিলেন গণেশ থাপা। হড়পা বানের তাণ্ডবে তখন রাসুয়া, ধাডিং, নুয়াকোট তছনছ। আতঙ্কে কাঠমাণ্ডুর রাস্তায় মানুষের ঢল। নেপাল এখনও কাঁপছে, কাঁদছেও। নিখোঁজ বহু। লাশের সারি দেখে রাতে দু’চোখের পাতা এক করতে পারছেন না গণেশ থাপা। নেপাল থেকে মুঠোফোনে কথা বলার সময় কান্নায় বুজে আসে গলা প্রাক্তন ফুটবলারের গলা। গণেশ বললেন, ‘আবার হয়তো নেমে আসতে পারে বিপর্যয়। প্রকৃতির হাতে আমরা সবাই তুচ্ছ।’ সত্যিই গভীর সংকটে নেপাল। জলভাসি এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা চরমে। এখনও সব জায়গায় যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। শুধু তাই নয়, হড়পা বানে প্রবল ক্ষতি অর্থনীতির। টিকিট কেটেও নেপাল থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন পর্যটকরা। গণেশ থাপা বললেন, ‘পরিচিত অনেকেরই আত্মীয়স্বজন নিখোঁজ। অলিতে- গলিতে কান্নার রোল। শান্তির নেপালে এমন দৃশ্য দেখতে হবে ভাবিনি।’



