নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ভ্রমণ পাগল মানুষ ছিলেন ডিএসপির উচ্চপদে কর্মরত সুভাষচন্দ্র ঘোষ। স্ত্রী সরকারি হাসপাতালের নার্স। দুই মেয়েও স্বনির্ভর। আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল সুভাষবাবুর পরিকল্পনা ছিল কৈলাশ মানস সরোবর ট্যুর করার। নামী ভ্রমণ সংস্থা জানিয়েছিল ট্যুর হবে ১৯ আগস্ট। কিন্তু তা শুরু হয় ২১ আগস্ট। এই দু’দিনের দেরিই কি ঘোষ পরিবারের অভিভাবককে কেড়ে নিল? আক্ষেপ করছেন পড়শিরা। শুধু সুভাষবাবুই নন, বিপর্যয়ের পাঁচ দিন পরও দুর্গাপুরে নিখোঁজ পাঁচ পর্যটকের কোনো হদিশ নেই। পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগ নিখোঁজ মানুষের আত্মীয়দের একটি হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়েছে। সেখানেও কোনো জবাব মিলছে না। উৎকণ্ঠা বাড়ছে সবার পরিবারের। ওই হোয়াটাস অ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমেই স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিখোঁজদের আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে পাঁচ দিন। গ্রুপটি এখন নীরব হয়ে গিয়েছে। দুর্গাপুরের নিখোঁজ পাঁচ পর্যটকের কী অবস্থা, কোনো সদুত্তর নেই গ্রুপের। নিখোঁজদের পরিবারের অভিযোগ, একটি নামী ভ্রমণ সংস্থার মাধ্যমেই এই পাঁচ পর্যটক মানস সরোবর যাত্রা করছিলেন। একসঙ্গে এতজন পর্যটক নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পরও তাদের কোনো হেলদোল নেই। কোনরকম খোঁজ নেওয়ার চেষ্টাও দেখা যাচ্ছে না।



