Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নদীর গ্রাসে শতাব্দী প্রাচীন শ্মশান নেই জল ও আলো

নদীর গ্রাসে শতাব্দী প্রাচীন শ্মশান নেই জল ও আলো
  • ২ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, চাঁচল: মরা মহানন্দার গ্রাসে চলে যাচ্ছে এলাকার শতাব্দী প্রাচীন শ্মশান। যতই দিন যাচ্ছে মাটি ধসে সংকীর্ণ হচ্ছে শ্মশানের জমি। দ্রুত গার্ডওয়াল নির্মাণ না করা হলে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে শ্মশানটি, আশঙ্কা গ্রামবাসীর। সেখানে পানীয় জল ও বৈদ্যুতিক আলোর ব্যবস্থাও নেই দীর্ঘদিন ধরে বলে অভিযোগ। যা নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়। 
Advertisement
মালদহের চাঁচল ১ নং ব্লকের অলিহোন্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের দেবীগঞ্জ গ্রামের এই বেহাল শ্মশানটির পরিকাঠামো গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা। এলাকা সূত্রে জানা গিয়েছে, চার শতাধিক পরিবারের শবদেহ দাহ করার একমাত্র ভরসা এই শতাব্দী প্রাচীন শ্মশান। এলাকার বাসিন্দারা অধিকাংশই দিনমজুর। তাই নিজেদের সামর্থ্যে পরিকাঠামো গড়তে ব্যর্থ। বর্ষার পরে শ্মশান পাড়ে ধস নামতে শুরু করেছে। এইভাবে বছরের পর বছর ধস নামতে থাকলে এককালীন নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে শ্মশানটি। এমনকী আলোর ব্যবস্থাও নেই সেখানে। রাতে বিকল্প হিসেবে জেনারেটর ভাড়া করেই দাহ করতে হয়। নেই পানীয় জলের কোনও প্রকল্প। চুল্লিটিও খোলা আকাশের নীচে রয়েছে। বৃষ্টি হলে ত্রিপল টাঙিয়ে শবদাহ করতে হয় বলে জানিয়েছে শ্মশান কর্তৃপক্ষ। দেবীগঞ্জ শ্মশান কমিটির সম্পাদক পঞ্চম দাস বলেন, এলাকার জনপ্রতিনিধিরা বহুবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু কাজ সেই তিমিরেই রয়ে গিয়েছে। গার্ডওয়াল না থাকায় শ্মশানের অংশ ধসে পড়ছে মরা মহানন্দায়। আলো ও পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই এখানে। ছাদ না থাকায় দাহ করতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। চাঁচল-১ নং পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, শ্মশানটিতে নতুন কোনও প্রকল্পে পানীয় জল, আলো ও গার্ডওয়াল নির্মাণের চেষ্টা করা হবে। তা নিয়ে পঞ্চায়েত সমিতি আলোচনা করা হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ