সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: মেলা দেখতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরা হল না নবদ্বীপের দুই যুবকের। বৃহস্পতিবার রাতে পূর্ব বর্ধমান জেলার নাদনঘাট থানার এসটিকেকে রোডে দু’টি বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হয় তিনজনের। জখম হয়েছেন আরও একজন। মৃতদের মধ্যে কুশল দাস(১৯) ও বিভাস কর্মকারের(২৪) বাড়ি নবদ্বীপ পুরসভা ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রফুল্লনগর কলোনিতে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় মৃত দুই পরিবারের লোকজন শোকে পাথর। ওই এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। শুক্রবার সকালে গিয়ে দেখা গেল, দু’জনের বাড়ির সামনে ভিড় করেছেন এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয় কাউন্সিলার পারুল দেবনাথ মৃতের পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে তাঁদের বাড়িতে যান।
Advertisement
স্থানীয়রা জানান, মৃত কুশল দাসের বাবা শ্রীকৃষ্ণ দাসের গৌরাঙ্গ সেতুর রাস্তার পাশেই একটি ছোট্ট চায়ের দোকান আছে। আর বিভাসবাবুর বাবা কর্মসূত্রে রাজস্থানের জয়পুরে থাকেন। বিভাসবাবু মা এবং বোনকে নিয়ে মামার বাড়িতেই থাকতেন। ওরা মৃত দু’জনেই প্রফুল্লনগরের একটি কারখানায় টেরাকোটার অলংকার তৈরির কাজ করতেন। বৃহস্পতিবার বিভাসবাবুর বাইকে চেপে কুশল বাড়ি থেকে বের হয়েছিল।
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওইদিন বিকেলে কুশল চা খাবে বলে তার বাবার থেকে ১০ টাকা নিয়ে বের হয়। আর বিভাস রং কেনার নাম করে বের হয়েছিল। পরে জানা যায় ওরা দু’জনে নবদ্বীপ সংলগ্ন খাল-বিল উৎসবে গিয়েছিল। সেখান থেকে ফেরার পথেই দুর্ঘটনা ঘটেছে। কুশলবাবুর মা ঊষা দাস বলেন, এদিন সন্ধ্যে ৭টার সময় ছেলে কাজ থেকে বাড়ি ফেরে। ও আমাকে বলেছিল মা ভালো লাগছে না। নবদ্বীপের দণ্ডপাণিতলা ঘাট সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে চা খেতে যাচ্ছে বলে বেরিয়ে যায়। ওকে আমার জন্য একটা এগরোল নিয়ে আসতে বলেছিলাম। বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে বেরিয়েছিল। তার আগে ওর বাবা দোকানের মালপত্র আনতে বলেছিল। জবাবে কুশল বলেছিল, আমি ফিরে এসে মাল কিনে এনে দেব। রাত সাড়ে ৯টার সময় ওকে ফোন করেছিলাম রিং হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু ও ফোন ধরেনি। ওই আমার একমাত্র ছেলে। আমার মেয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ে। পরে ওকে বারবার ফোন করেছি তবুও ফোন তোলেনি। রাত ১১টার পরে আমরা দুর্ঘটনার কথা জানতে পারি। বিভাসবাবুর মা শ্যামলী রায় কর্মকার বলেন, আমি বাচ্চাদের নিয়ে বাপেরবাড়িতেই থাকি। রাত ৮টার সময় ওর সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল। ওকে জিজ্ঞেস করলাম, তুই কী করছিস? ও বলেছিল, কারখানায় কাজ করছে। আমি রাতে খাওয়ার জন্য রুটি করে রেখেছিলাম। ও আমাকে বলেছিল, তাড়াতাড়ি চলে আসব। আবার পরে বলেছিল, রং কিনতে যাচ্ছে। কিন্তু পরে জানতে পেরেছি মেলায় বন্ধুদের সঙ্গে চলে গিয়েছিল। রাতে আমি শুয়ে পড়ার পরে ভাইয়ের স্ত্রী আমাকে দুর্ঘটনার খবর দেয়। ও আমার একমাত্র ছেলে। আর মেয়ে কলেজে পড়াশোনা করে। সংসার চালাতে ওর বাবা জয়পুরে সোনা-রুপোর কাজ করে। ওকে নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন ছিল। তিন মাস আগেই কিস্তিতে বাইক কিনেছে। সম্ভবত রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে দুর্ঘটনাটা ঘটেছে। আমরা খবর পেয়েছি অনেক রাতে।
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওইদিন বিকেলে কুশল চা খাবে বলে তার বাবার থেকে ১০ টাকা নিয়ে বের হয়। আর বিভাস রং কেনার নাম করে বের হয়েছিল। পরে জানা যায় ওরা দু’জনে নবদ্বীপ সংলগ্ন খাল-বিল উৎসবে গিয়েছিল। সেখান থেকে ফেরার পথেই দুর্ঘটনা ঘটেছে। কুশলবাবুর মা ঊষা দাস বলেন, এদিন সন্ধ্যে ৭টার সময় ছেলে কাজ থেকে বাড়ি ফেরে। ও আমাকে বলেছিল মা ভালো লাগছে না। নবদ্বীপের দণ্ডপাণিতলা ঘাট সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে চা খেতে যাচ্ছে বলে বেরিয়ে যায়। ওকে আমার জন্য একটা এগরোল নিয়ে আসতে বলেছিলাম। বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে বেরিয়েছিল। তার আগে ওর বাবা দোকানের মালপত্র আনতে বলেছিল। জবাবে কুশল বলেছিল, আমি ফিরে এসে মাল কিনে এনে দেব। রাত সাড়ে ৯টার সময় ওকে ফোন করেছিলাম রিং হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু ও ফোন ধরেনি। ওই আমার একমাত্র ছেলে। আমার মেয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ে। পরে ওকে বারবার ফোন করেছি তবুও ফোন তোলেনি। রাত ১১টার পরে আমরা দুর্ঘটনার কথা জানতে পারি। বিভাসবাবুর মা শ্যামলী রায় কর্মকার বলেন, আমি বাচ্চাদের নিয়ে বাপেরবাড়িতেই থাকি। রাত ৮টার সময় ওর সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল। ওকে জিজ্ঞেস করলাম, তুই কী করছিস? ও বলেছিল, কারখানায় কাজ করছে। আমি রাতে খাওয়ার জন্য রুটি করে রেখেছিলাম। ও আমাকে বলেছিল, তাড়াতাড়ি চলে আসব। আবার পরে বলেছিল, রং কিনতে যাচ্ছে। কিন্তু পরে জানতে পেরেছি মেলায় বন্ধুদের সঙ্গে চলে গিয়েছিল। রাতে আমি শুয়ে পড়ার পরে ভাইয়ের স্ত্রী আমাকে দুর্ঘটনার খবর দেয়। ও আমার একমাত্র ছেলে। আর মেয়ে কলেজে পড়াশোনা করে। সংসার চালাতে ওর বাবা জয়পুরে সোনা-রুপোর কাজ করে। ওকে নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন ছিল। তিন মাস আগেই কিস্তিতে বাইক কিনেছে। সম্ভবত রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে দুর্ঘটনাটা ঘটেছে। আমরা খবর পেয়েছি অনেক রাতে।



