সংবাদদাতা, কালনা: বাড়ির উঠোন, ছাদে ও ফাঁকা জায়গায় মাশরুম, প্রাণিপালন, মৎস্য চাষ সহ জৈব সার তৈরি করে কর্ম সংস্থানের দিশা দেখাচ্ছেন নাদনঘাট থানার উমেশ দাস। বুধবার তাঁর বাড়িতে গিয়ে কর্ম সংস্থানের বিভিন্ন কাজ ঘুরে দেখেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। তিনি উমেশবাবুর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান ও প্রাণিপালন দপ্তর থেকে সহায়তা করার আশ্বাস দেন।
Advertisement
নাদনঘাট থানার জাহান্নগর পঞ্চায়েতের কুমোরপাড়ার বাসিন্দা উমেশ দাসের নিজের দেড় বিঘে জমির উপর বসত বাড়ি। তিনি বাড়ির উঠোনে ছাগল প্রতিপালন সহ ফাঁকা জায়গায় মাশরুম চাষ, ছাদে ড্রাগন ফল, তুঁত গাছ লাগিয়ে রেশম চাষ সহ চৌবাচ্চায় কই মাছ চাষ করছেন। পাশাপাশি আরও একটি চৌবাচ্চা করে তাতে জৈব সার তৈরি করছেন। সম্প্রতি পূর্বস্থলী-১ ব্লকের কৃষিমেলায় তিনি জৈব সার সহ মাশরুম বিক্রির স্টল করে ভালো সাড়া পান। সেই সময় স্টলটি মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। বুধবার উমেশবাবুর বাড়িতে তাঁর কাজ দেখতে তিনি হাজির হন। উমেশবাবুর নানাবিধ কাজ দেখে খুশি হন। উমেশবাবু বলেন, বসতবাড়ি সহ দেড় বিঘে জমির মধ্যে হাজার বর্গ ফুটে মাশরুম চাষ করেছি। এছাড়াও রেশম চাষ, প্রাণিপালন, মৎস্য চাষ সহ জৈব সারে তৈরির করা হয়। মুলত মাশরুমে আয় বেশি। অল্প খরচে ঠিক মতো ফলন হলে মাসে ১৫-২০ হাজার টাকা আয় হয়। ছাগল পালনেও ভালো আয় হয়। বেকার যুবক যুবতীরা প্রাণিপালন সহ মাশরুম চাষে স্বনির্ভর হতে পারেন।স্বপনবাবু বলেন, উমেশ দাসের এমন উদ্যোগ খুবই ভালো। ওঁর উদ্যোগ যুব সমাজকে কর্ম সংস্থানের পথ দেখাচ্ছে। প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে সহায়তা করা হবে।



