নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘ওষুধ নয়, খেলেন তো জল’ অথবা ‘ওরা তো হাতুড়ে’! হোমিয়ো চিকিৎসক এবং ওষুধ বা এই প্যাথি সম্পর্কে এমন মর্যাদাহানিকর মন্তব্য করলেই সংশিষ্ট ব্যক্তি বা সংগঠনের নামে নোটিস ইস্যু করা হবে। চাওয়া হবে তাদের জবাব। এমন লঘু মন্তব্যের প্রচার বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে করা হবে এফআইআর। দেশে হোমিয়োপ্যাথির শীর্ষ নীতিনির্ধারক সংস্থা ন্যাশনাল কমিশন ফর হোমিয়োপ্যাথি (এনসিএইচ) সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। হোমিয়োপ্যাথি চিকিৎসাশাস্ত্র বা রোগনিরাময় সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর, অবৈজ্ঞানিক দাবি করলেও নেমে আসতে পারে শাস্তির খাঁড়া।
কিছুদিন আগে এনসিএইচ-এর বোর্ড অব এথিক্স অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন শাখার প্রেসিডেন্ট এই মর্মে এক কড়া নির্দেশ জারি করেন। সোমবার এনসিএইচ-এর বোর্ড অব এডুকেশন-এর প্রেসিডেন্ট ডাঃ রজত চট্টোপাধ্যায় বলেন, বেশকিছু হোমিয়োপ্যাথ বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারে জড়িত থাকছেন, এমন অভিযোগে আমরা রাজ্যওয়ারি কাউন্সিলগুলিকে চিঠি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলছি। দোষ প্রমাণিত হলে ছ-মাসের জন্য রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যেতে পারে। নেওয়া হতে পারে আইনি ব্যবস্থাও।
সূত্রের খবর, হোমিয়োপ্যাথি সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও অসম্মানজনক মন্তব্য বা প্রচার করার অভিযোগে ৮৩টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সংস্থাকে নোটিস ধরানো হয়েছে। বেশকিছু ক্ষেত্রে একাধিক হোমিয়োপ্যাথই নিজেদের ক্যানসার এবং অন্যান্য রোগ সম্পূর্ণ সারিয়ে দেওয়ার দাবি করেছেন। আবার হোমিয়োপ্যাথিক ওষুধ, ওষুধ তৈরি এবং চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে একাধিক মডার্ন মেডিসিন অ্যাপ অবজ্ঞাসূচক মন্তব্য করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।