Bartaman Logo
২৮ জুন, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

১২ বছর বন্ধ থাকার পর আবার চালু হওয়ার পথে গোবরডাঙা হাসপাতাল

১২ বছর বন্ধ থাকার পর গোবরডাঙা হাসপাতাল ফের চালুর পথে। বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর আশ্বাস দিয়েছেন দ্রুত পরিষেবা শুরু হবে। বিস্তারিত পড়ুন।

১২ বছর বন্ধ থাকার পর আবার চালু হওয়ার পথে গোবরডাঙা হাসপাতাল
  • ২৮ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর বন্ধ থাকার পর ফের চালু হওয়ার পথে গোবরডাঙা হাসপাতাল। শনিবার হাসপাতাল পরিদর্শনে যান গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর। সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্যদপ্তরের অফিসাররা। হাসপাতালের পরিকাঠামো, ভবনের অবস্থা এবং পরিষেবা চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হয়। পরিদর্শনের পর দ্রুত হাসপাতাল চালুর ব্যাপারে আশ্বাস দিয়ে বিধায়ক বলেন, বহু বছর ধরে হাসপাতাল বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতেই সরকার দ্রুত উদ্যোগ নিচ্ছে।

Advertisement

১৯৫৭ সালে প্রায় ছ’বিঘা জমির উপর গড়ে ওঠে গোবরডাঙা স্বাস্থ্যকেন্দ্র। পরবর্তী সময়ে সেটি হাসপাতালে উন্নীত হয়। ২০০১ সালে হাসপাতালটি উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের অধীনে এলেও চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর অভাবে ধীরে ধীরে পরিষেবা ভেঙে পড়ে। ২০১৪ সাল থেকে কার্যত হাসপাতালটি বন্ধ হয়ে যায়। করোনাকালে অস্থায়ীভাবে ৫০ শয্যার কোভিড হাসপাতাল হিসাবে ব্যবহৃত হয় সেটি। যদিও পরে সেই পরিষেবাও উঠে যায়। একজন চিকিৎসক অবসর নেওয়ার পর আউটডোরও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের হাবড়া, বারাসত সহ দূরের হাসপাতালে ছুটতে হত।
শনিবার হাসপাতাল ঘুরে দেখে সুব্রত ঠাকুর বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে এনিয়ে আলোচনা হয়েছে। হাসপাতালটি বর্তমানে জেলা পরিষদের অধীনে। সেটিকে সরাসরি রাজ্য সরকারের অধীনে আনার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য, যত দ্রুত সম্ভব এই হাসপাতালকে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া। বিধায়কের কথায়, এখানে আরবান প্রাইমারি হেলথ সেন্টার (ইউপিএইচসি) চালু হবে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং অন্যান্য পরিকাঠামোও ধাপে ধাপে গড়ে তোলা হবে। দীর্ঘদিন হাসপাতাল বন্ধ থাকায় ভবনের বেশ কয়েকটি ঘর দখল হয়ে গিয়েছে। দখলদারি সরিয়ে সম্পূর্ণ হাসপাতাল চত্বরকে পুনরুদ্ধার করা হবে বলেও জানান তিনি।
এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল গোবরডাঙা হাসপাতাল ফের চালু করার। শনিবারের পরিদর্শনের পর তাঁদের আশা আরও জোরালো হয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ