Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নাব্যতা হারানো কুনুর নদীতে ড্রেজিংয়ের দাবি

নাব্যতা হারানো কুনুর নদীতে ড্রেজিংয়ের দাবি
  • ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, কাটোয়া: বর্ষা এলেই গুসকরা, আউশগ্রাম ও মঙ্গলকোটের বাসিন্দাদের ঘুম কেড়ে নেয় কুনুর নদী। প্লাবিত হয়ে একের পর এক কৃষিজমি, বসতবাড়ি এই নদী গিলে খায়। ফসল নষ্টের জেরে চাষিদের বড় আর্থিক ক্ষতি হয়। গুসকরা শহরও প্লাবিত হয়। নাব্যতা কমে যাওয়া কুনুর নদীতে ড্রেজিং প্রয়োজন বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান।গুসকরা পুরসভার চেয়ারম্যান কুশল মুখোপাধ্যায় বলেন, পুরো নদীতেই ড্রেজিং প্রয়োজন। আমরা নির্দিষ্ট জায়গায় জানিয়েছি। কুনুরের ড্রেজিং নিয়ে ভবিষ্যতে পরিকল্পনা নেব। শুধু গুসকরায় ড্রেজিং করলে বিপদ হবে। নদীর উৎসস্থল থেকে মোহনা পর্যন্ত ড্রেজিং করতে হবে। তবে এতে অনেক টাকা লাগবে।
Advertisement
পশ্চিম বর্ধমানের উখড়ার কাছে কুনুরের উৎপত্তি। তারপর কাঁকসা, লাউদোহা, আউশগ্রাম, গুসকরা হয়ে মঙ্গলকোটে ঢুকেছে। ব্লকের সারঙ্গপুর গ্রাম দিয়ে ঢুকে কোগ্রামে অজয়ের সঙ্গে মিশেছে। নদীর গতিপথ সংকীর্ণ হওয়ায় পাড়ে ভাঙন হচ্ছে। ১৯৯৩-৯৪ অর্থবর্ষে কুনুর সংস্কারের কাজ কিছুটা হয়েছিল। সেসময় এই নদীর নাব্যতা বাড়াতে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকায় মাটি কাটা হয়েছিল। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি।
মঙ্গলকোটের বালিডাঙা গ্রামের চাষি তাপস বিশ্বাস বলেন, আমাদের এলাকাটা নিচু। বর্ষার সময় বহুদিন জমিতে নদীর জল জমে থাকে। ফলে এসময় আমরা তেমন ফসল পাই না। নদী সংস্কার করা হলে সত্যিই উপকৃত হব। এছাড়া, নদীতে কয়েকটি লকগেট করে জল ধরে রাখা হলে শীতের মরশুমে আমরা সহজে ফসল উৎপাদন করতে পারব। সেচদপ্তরের গুসকরা সার্কেলের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সামসুল হক বলেন, কুনুরের নাব্যতা কমে গিয়েছে। সংস্কার প্রয়োজন। বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এছাড়া, গুসকরা শহরে রটন্তীকালী মন্দিরের কাছে নদীভাঙন রোধেও কাজ করা হবে। তার জন্য ৪৫ লক্ষ টাকার ডিপিআর পাঠানো আছে।
সম্পর্কিত সংবাদ