এখনও যে এই শর্ট ভিডিওর রমরমা, সেটার শুরু হয়েছিল সেই ২০১২ সালে। আমেরিকায় ভাইন বলে একটি সোশ্যাল মিডিয়া তৈরি করেন ডম হফম্যান, রুস ইউসুপভ ও কলিন ক্রোল। সেখানে ৬ সেকেন্ডের ভিডিও শেয়ার করতে পারতেন ইউজাররা। খুব তাড়াতাড়িই এটা বেশ জনপ্রিয় হয়ে যায়। এর ক্রেজ এতটাই বেড়ে যায় যে অফিসিয়াল অ্যাপ রিলিজ করার আগেই কোম্পানিটি কিনে নেয় টুইটার।
Advertisement
কত বড় হয় শর্ট ভিডিও?
কিছুকাল আগেও শর্ট ভিডিও ৩০ সেকেন্ডের হতো। এখন বিভিন্ন অ্যাপে সেটা ১ মিনিটের হয়ে গিয়েছে। সেটা ৩ মিনিট পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার ভাবনা চিন্তায় রয়েছে বিভিন্ন সংস্থাগুলি।
শর্ট ভিডিওর অ্যাডিকশনের কারণ?
অবশ্যই আমাদের অ্যাটেনশনের শর্ট টাইম স্প্যান। এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে বছর কয়েক আগেও মানুষের গড় অ্যাটেনশন স্প্যান ছিল ১২ সেকেন্ডের কাছাকাছি। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে আট সেকেন্ডে। শর্ট ভিডিওর চটজলদি, স্টিমুলেটিং নেচারের কারণে আমাদের মস্তিষ্ক থেকে ডোপোমিনের ক্ষরণ হয়। এই হরমোন আমাদের আনন্দ দেয়। মস্তিষ্ক চায় আরও বেশি করে এই ডোপোমিনের ক্ষরণ হোক। তাই অজান্তেই একের পর এক শর্ট ভিডিও স্ক্রল করে চলি আমরা।
কিছুকাল আগেও শর্ট ভিডিও ৩০ সেকেন্ডের হতো। এখন বিভিন্ন অ্যাপে সেটা ১ মিনিটের হয়ে গিয়েছে। সেটা ৩ মিনিট পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার ভাবনা চিন্তায় রয়েছে বিভিন্ন সংস্থাগুলি।
শর্ট ভিডিওর অ্যাডিকশনের কারণ?
অবশ্যই আমাদের অ্যাটেনশনের শর্ট টাইম স্প্যান। এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে বছর কয়েক আগেও মানুষের গড় অ্যাটেনশন স্প্যান ছিল ১২ সেকেন্ডের কাছাকাছি। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে আট সেকেন্ডে। শর্ট ভিডিওর চটজলদি, স্টিমুলেটিং নেচারের কারণে আমাদের মস্তিষ্ক থেকে ডোপোমিনের ক্ষরণ হয়। এই হরমোন আমাদের আনন্দ দেয়। মস্তিষ্ক চায় আরও বেশি করে এই ডোপোমিনের ক্ষরণ হোক। তাই অজান্তেই একের পর এক শর্ট ভিডিও স্ক্রল করে চলি আমরা।
লিখেছেন সায়ন মজুমদার
কী ভাবছে মানুষ?
আমাদের সকলের হাতে সময় কম, ধৈর্য আরও কম। তাই এক মিনিটের ভিডিওতে চোখ আটকে যাওয়া স্বাভাবিক। তবে সেসব আমার কাছে স্রেফ মনোরঞ্জনের মাধ্যম। ওতে তো বিশদে কিছু জানা যায় না।
পৌলমী বন্দ্যোপাধ্যায়
বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত
একটা সময় খুব দেখতাম। প্রয়োজনের থেকে অপ্রয়োজনেই বেশি। এটা একটা নেশার মতো। তবে নিজেকে সংযত করতে পেরেছি। আমার মনে হয় সেদিন খুব বেশি দূরে নয়, যখন এই শর্ট ভিডিওর নেশা ছাড়াতেও কাউন্সেলিংয়ের দরকার হবে।
লগ্নজিতা দাশগুপ্ত
শিক্ষিকা
হাতে সময় কম বলে বেশি ফোন আর ঘাঁটি না। তবে ইউটিউব খুললে দেখি সাজেশনে শর্ট ভিডিওই আসে। আমার নিজের কিছু প্রেফারেন্স আছে। কম সময়ে সেই বিষয়ে ছোট ভিডিও দেখি। তবে বিশদে জানার জন্য বড় ভিডিওই ভরসা।
সৈকত হাজরা
ওষুধের দোকানে কর্মরত
সব কিছুরই ভালো-খারাপ থাকে। শর্ট ভিডিও দেখে চটজলদি কোনও লাইফ হ্যাক বা রান্নার নতুন কোনও রেসিপি শিখে নিতে পারি। তবে কী দেখব, কতটা দেখব সেসব তো আমাদের নিজেদের হাতে। তাই নিজেকে সংযত রাখলে শর্ট ভিডিও দেখায় কোনও সমস্যা থাকার কথা নয়। তবে বাড়ির অল্পবয়সী রা ফোনে কী দেখছে, তা বড়দের খেয়াল রাখা অবশ্যই দরকার।
প্রীতম ভড়
আইটি কর্মী



