নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: ২১ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক এক সিদ্ধান্ত নিল শিলিগুড়ি পুরসভা। দোকানের সাইনবোর্ডে অন্যভাষার পাশাপাশি বাংলাতেও লেখা বাধ্যতামূলক করল পুর কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার মাতৃভাষা দিবসের দিন শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুরসভার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বুদ্ধিজীবী থেকে ব্যবসায়ী মহল। পুরসভাকে তাঁরাসরকমভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
Advertisement
রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বাংলা ভাষাকে গুরুত্ব দেওয়ার দাবি বহুদিনের। সেই দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করে শিলিগুড়ি পুরসভার এই সিদ্ধান্ত। এদিন পুরভবনে এমআইসি বৈঠক হয়। পুরসভা সূত্রে খবর, বৈঠকে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ডে অন্যভাষার পাশাপাশি বাংলার ব্যবহার আবশ্যিক করার প্রস্তাব দেন খোদ মেয়র গৌতম দেব। তাতে ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার সহ প্রত্যেক মেয়র পারিষদ সমর্থন করেছেন।
পরে মেয়র বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিন আমরা এমআইসি বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি বোর্ড মিটিংয়ে তা প্রস্তাব আকারে পেশ করা হবে। পুরসভার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মুন্সি প্রেমচাঁদ কলেজের ইংরেজির অধ্যাপক ডঃ নিতাই সাহা। তিনি বলেন,বাংলা মাতৃভাষা। এ ব্যাপারে পুরসভার উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ সুবল দত্ত দোকানের সাইন বোর্ডে বাংলার ব্যবহার নিয়ে পুরউদ্যোগকে সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন। বিশিষ্ট এই চিকিৎসকের বক্তব্য, এ নিয়ে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়।
উল্লেখ্য, ইদানিং পুরসভার বেশকিছু নোটিস ও রিপোর্ট বাংলায় প্রকাশ করা হচ্ছে। পুরকর্মীদের একাংশের বক্তব্য,বামফ্রন্ট জমানায় সরকারি কাজকর্মে বাংলা ভাষা ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েও সফল হয়নি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর এই পুরসভায় বাংলা ভাষার গুরুত্ব অনেকটাই বেড়েছে। ডেপুটি মেয়র বলেন, এখানে চারটি ভাষার চল রয়েছে। বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি ও নেপালি। তাই অন্যান্য ভাষার পাশাপাশি দোকানের সাইনবোর্ডে বাংলা ভাষা থাকা জরুরি। তাতে বাসিন্দাদের সুবিধা হবে। আগামী বোর্ড মিটিংয়ে ওই প্রস্তাব পাশ হবে বলেই আশাবাদী।
শহরে বাজারের সংখ্যা প্রায় ৫৬টি। মোট দোকানের সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার। দোকানের সাইনবোর্ডে বাংলা ভাষার ব্যবহার আবশ্যিক করার পুরসভার পরিকল্পনাকে স্বাগত জানাচ্ছেন ব্যবসায়ীরাও। তাঁদের একাংশ বলেন, শিলিগুড়ি বাংলার অংশ। এখানকার মাতৃভাষা বাংলা। কিন্তু এখানে ইংরেজি ও হিন্দির রমরমা। কাজেই পুরসভার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হওয়া জরুরি। তা না হলে বাংলা ভাষার অস্তিত্ব থাকবে না। বৃহত্তর শিলিগুড়ি খুচরা ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক বিপ্লব রায়মুহুরি বলেন, বাংলা ভাষার ব্যবহার নিয়ে পুরসভা যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। তা কার্যকর করতে আমরা সর্বতোভাবে সহযোগিতা করব।
পরে মেয়র বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিন আমরা এমআইসি বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি বোর্ড মিটিংয়ে তা প্রস্তাব আকারে পেশ করা হবে। পুরসভার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মুন্সি প্রেমচাঁদ কলেজের ইংরেজির অধ্যাপক ডঃ নিতাই সাহা। তিনি বলেন,বাংলা মাতৃভাষা। এ ব্যাপারে পুরসভার উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ সুবল দত্ত দোকানের সাইন বোর্ডে বাংলার ব্যবহার নিয়ে পুরউদ্যোগকে সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন। বিশিষ্ট এই চিকিৎসকের বক্তব্য, এ নিয়ে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়।
উল্লেখ্য, ইদানিং পুরসভার বেশকিছু নোটিস ও রিপোর্ট বাংলায় প্রকাশ করা হচ্ছে। পুরকর্মীদের একাংশের বক্তব্য,বামফ্রন্ট জমানায় সরকারি কাজকর্মে বাংলা ভাষা ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েও সফল হয়নি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর এই পুরসভায় বাংলা ভাষার গুরুত্ব অনেকটাই বেড়েছে। ডেপুটি মেয়র বলেন, এখানে চারটি ভাষার চল রয়েছে। বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি ও নেপালি। তাই অন্যান্য ভাষার পাশাপাশি দোকানের সাইনবোর্ডে বাংলা ভাষা থাকা জরুরি। তাতে বাসিন্দাদের সুবিধা হবে। আগামী বোর্ড মিটিংয়ে ওই প্রস্তাব পাশ হবে বলেই আশাবাদী।
শহরে বাজারের সংখ্যা প্রায় ৫৬টি। মোট দোকানের সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার। দোকানের সাইনবোর্ডে বাংলা ভাষার ব্যবহার আবশ্যিক করার পুরসভার পরিকল্পনাকে স্বাগত জানাচ্ছেন ব্যবসায়ীরাও। তাঁদের একাংশ বলেন, শিলিগুড়ি বাংলার অংশ। এখানকার মাতৃভাষা বাংলা। কিন্তু এখানে ইংরেজি ও হিন্দির রমরমা। কাজেই পুরসভার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হওয়া জরুরি। তা না হলে বাংলা ভাষার অস্তিত্ব থাকবে না। বৃহত্তর শিলিগুড়ি খুচরা ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক বিপ্লব রায়মুহুরি বলেন, বাংলা ভাষার ব্যবহার নিয়ে পুরসভা যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। তা কার্যকর করতে আমরা সর্বতোভাবে সহযোগিতা করব।



