নয়াদিল্লি: চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে জুতো, চশমা, ব্যাগ, অন্যান্য জিনিসপত্র। মুহূর্তের মধ্যেই যে কী হয়ে গেল! শনিবার রাতে নয়া দিল্লি স্টেশনে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার কথা মনে করে এখনও শিউরে উঠছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। যা কেড়ে নিয়েছে ১৮টি প্রাণ।
Advertisement
গোটা ঘটনার অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী রবি কুমার। গত ১২ বছর ধরে নয়াদিল্লি স্টেশনে দোকান চালাচ্ছেন। কিন্তু এতো ভিড়, এমন হুড়োহুড়ি আর যাত্রীদের এমন অসহায় অবস্থা এর আগে কখনও দেখেননি। প্ল্যাটফর্মে তিল ধারনের জায়গা নেই। তারপরও থামছে না জনস্রোত। এরইমধ্যে ট্রেন আসার ঘোষণা হতেই শুরু হয়ে গেল হুড়োহুড়ি। একে অপরকে ধাক্কা দিয়ে এগিয়ে যেতে চাইছে সবাই। হঠাৎ আর্তচিৎকার ভেসে আসতে শুরু করে। কিন্তু কে কার কথা শুনবে? সাহয্যই বা করা যাবে কীভাবে? মুহূর্তের মধ্যেই পুরো এলাকাই যেন মৃত্যুপুরী হয়ে উঠল।
পাহাড়গঞ্জের বাসিন্দা বেদ প্রকাশ জানিয়েছেন, স্ত্রীকে নিয়ে তিনিও প্রয়াগরাজ যাবেন বলে ঠিক করেছিলেন। কিন্তু স্টেশনে ভিড় দেখে শেষ মুহূর্তে ফিরে আসেন। ‘ভাগ্যিস চলে এসেছিলাম। না হলে কী যে হতো!’ মন্তব্য করেন তিনি।
স্টেশনের ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মকে জনসমুদ্র মনে হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী এক কুলি। তিনি বলেন, ‘পদপিষ্টের মতো পরিস্থিতি দেখা দিলে আমি ও আমার সহকর্মীরা লোকজনকে উদ্ধারের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। চারিদিকে তখন মানুষের চিৎকার। প্রবল হইচই। প্ল্যাটফর্মে একজনের নীচে চাপা পড়া অন্য একজনকেও আমরা উদ্ধার করেছি। পরে এসেছিলেন রেলের লোকজন।’
স্টেশন চত্বরে চিকিৎসার ব্যবস্থা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শাশুড়িকে হারিয়েছেন বিহারের বাসিন্দা পাপ্পু। তাঁর হাহাকার, একটু সাহায্য পেলে হয়তো বাঁচানো যেতে পারত তাঁর শাশুরিকে। শনিবার রাতে ১৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ছিলেন পাপ্পু। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘রাত ৯টা নাগাদ পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। তখন সেখানে পুলিস ছিল না। পরিস্থিতি এমনই ছিল যে চাইলেও কাউকে সাহায্য করা যাচ্ছিল না। ভিড়ের মধ্যে মাটিতে লুটিয়ে পড়া লোকজনকে তখন বের করে আনার চেষ্টা করা হচ্ছিল।’
পাহাড়গঞ্জের বাসিন্দা বেদ প্রকাশ জানিয়েছেন, স্ত্রীকে নিয়ে তিনিও প্রয়াগরাজ যাবেন বলে ঠিক করেছিলেন। কিন্তু স্টেশনে ভিড় দেখে শেষ মুহূর্তে ফিরে আসেন। ‘ভাগ্যিস চলে এসেছিলাম। না হলে কী যে হতো!’ মন্তব্য করেন তিনি।
স্টেশনের ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মকে জনসমুদ্র মনে হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী এক কুলি। তিনি বলেন, ‘পদপিষ্টের মতো পরিস্থিতি দেখা দিলে আমি ও আমার সহকর্মীরা লোকজনকে উদ্ধারের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। চারিদিকে তখন মানুষের চিৎকার। প্রবল হইচই। প্ল্যাটফর্মে একজনের নীচে চাপা পড়া অন্য একজনকেও আমরা উদ্ধার করেছি। পরে এসেছিলেন রেলের লোকজন।’
স্টেশন চত্বরে চিকিৎসার ব্যবস্থা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শাশুড়িকে হারিয়েছেন বিহারের বাসিন্দা পাপ্পু। তাঁর হাহাকার, একটু সাহায্য পেলে হয়তো বাঁচানো যেতে পারত তাঁর শাশুরিকে। শনিবার রাতে ১৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ছিলেন পাপ্পু। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘রাত ৯টা নাগাদ পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। তখন সেখানে পুলিস ছিল না। পরিস্থিতি এমনই ছিল যে চাইলেও কাউকে সাহায্য করা যাচ্ছিল না। ভিড়ের মধ্যে মাটিতে লুটিয়ে পড়া লোকজনকে তখন বের করে আনার চেষ্টা করা হচ্ছিল।’



