সংবাদদাতা, কালনা: বৃহস্পতিবার সকালে কালনার ভবানন্দপুরে হিমঘরের অ্যামোনিয়া গ্যাস চেম্বারের কমপ্রেসার যন্ত্র ফেটে দুই কর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যু হল। মৃতদের নাম শ্রাবণ প্রসাদ(৪৫) ও সজলকুমার ঘোষ(৫৯)। প্রথমজনের বাড়ি বিহারে। দ্বিতীয়জনের বাড়ি কালনার বাঘনাপাড়ার মদনহাঁসায়। এই দুর্ঘটনায় বুদ্ধদেব প্রামাণিক নামে এক কর্মী জখম হয়েছেন। তিনি কালনা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। খবর পেয়ে কালনা থেকে দমকলের চারটি ইঞ্জিন এসে প্রায় তিনঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
Advertisement
কমপ্রেসার যন্ত্র ফেটে এলাকায় অ্যামোনিয়া গ্যাস ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। হিমঘরের আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে খোলা মাঠে চলে যান। এলাকায় স্বাস্থ্যদপ্তরের টিম গিয়ে স্থানীয়দের পরীক্ষা করেছে। এঘটনায় কালনা থানায় এফআইআর দায়ের হয়েছে।
কালনা চতুর্থ চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক বলেন, ঘটনার জেরে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ থাকায় আশপাশের প্রাথমিক ও হাইস্কুল মিলিয়ে ১৫টি বিদ্যালয় এদিন বন্ধ রাখা হয়।
ভবানন্দপুরের ওই হিমঘরের মালিকানা চারবছর আগে বদল হয়। তারপর থেকে সেখানে আলু সংরক্ষণ শুরু হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা নাগাদ হিমঘর লাগোয়া এলাকার বাসিন্দারা বিকট শব্দ শুনতে পান। তাঁরা ঘর থেকে বেরিয়ে দেখেন, হিমঘর থেকে ঘন কুয়াশার মতো গ্যাস চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। অ্যামোনিয়ার ঝাঁঝাঁলো গন্ধে স্থানীয় বাসিন্দা ও কালনা-বৈচি রোডে যাতায়াতকারী মানুষের চোখে জ্বালা ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ভয়ে অনেকেই ঘর ছেড়ে খোলা মাঠের দিকে দৌড় লাগান। হিমঘরের কয়েকজন কর্মীও দৌড়ে মাঠে চলে যান। খবর পেয়ে কালনা থেকে দমকলবাহিনী আসে। দমকলকর্মীরা হিমঘরে ঢুকে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। দু’জনকে কালনা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁদের মৃত বলে জানান। অপর এক জখম কর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে কালনার মহকুমা শাসক, এসডিপিও, কালনা থানার আইসি সহ আধিকারিকরা সেখানে পৌঁছন।জখম কর্মী বুদ্ধদেব প্রামাণিক বলেন, এদিন কমপ্রেসার যন্ত্র মেরামত চলছিল। আমি উপরের দিকে ছিলাম। হঠাৎ একটি কমপ্রেসার যন্ত্র ফেটে যায়। ঘন অ্যামোনিয়া গ্যাসে ঘর ভরে যায়।
কালনা চতুর্থ চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক বলেন, ঘটনার জেরে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ থাকায় আশপাশের প্রাথমিক ও হাইস্কুল মিলিয়ে ১৫টি বিদ্যালয় এদিন বন্ধ রাখা হয়।
ভবানন্দপুরের ওই হিমঘরের মালিকানা চারবছর আগে বদল হয়। তারপর থেকে সেখানে আলু সংরক্ষণ শুরু হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা নাগাদ হিমঘর লাগোয়া এলাকার বাসিন্দারা বিকট শব্দ শুনতে পান। তাঁরা ঘর থেকে বেরিয়ে দেখেন, হিমঘর থেকে ঘন কুয়াশার মতো গ্যাস চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। অ্যামোনিয়ার ঝাঁঝাঁলো গন্ধে স্থানীয় বাসিন্দা ও কালনা-বৈচি রোডে যাতায়াতকারী মানুষের চোখে জ্বালা ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ভয়ে অনেকেই ঘর ছেড়ে খোলা মাঠের দিকে দৌড় লাগান। হিমঘরের কয়েকজন কর্মীও দৌড়ে মাঠে চলে যান। খবর পেয়ে কালনা থেকে দমকলবাহিনী আসে। দমকলকর্মীরা হিমঘরে ঢুকে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। দু’জনকে কালনা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁদের মৃত বলে জানান। অপর এক জখম কর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে কালনার মহকুমা শাসক, এসডিপিও, কালনা থানার আইসি সহ আধিকারিকরা সেখানে পৌঁছন।জখম কর্মী বুদ্ধদেব প্রামাণিক বলেন, এদিন কমপ্রেসার যন্ত্র মেরামত চলছিল। আমি উপরের দিকে ছিলাম। হঠাৎ একটি কমপ্রেসার যন্ত্র ফেটে যায়। ঘন অ্যামোনিয়া গ্যাসে ঘর ভরে যায়।



