নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি ও সংবাদদাতা, দার্জিলিং: অবশেষে টনক নড়ল কেন্দ্রের। ধস ও তিস্তা নদীর ছোবলে বিধ্বস্ত কালিম্পংয়ের লাইফ লাইন ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিচ্ছে ন্যাশনাল হাইওয়ে অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (এনএইচআইডিসিএল)। ইতিমধ্যে এব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ এবং হাইওয়ে মন্ত্রক। এনিয়ে বিভিন্ন মহল রীতিমতো উচ্ছ্বসিত। তাদের প্রত্যাশা, এবার আরও চাঙ্গা হবে গুরুত্বপূর্ণ ওই সড়ক। এতে পর্যটন শিল্প সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক সুবিধা হবে।
Advertisement
কালিম্পংয়ের জেলাশাসক বালাসুব্রমনিয়ান টি বলেন, কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ এবং হাইওয়ে মন্ত্রকের ওই বিজ্ঞপ্তি দেখেছি। এনএইচআইডিসিএল রাস্তাটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেবে। তবে রাজ্য পূর্তদপ্তরের হাত থেকে কবে রাস্তাটি এনএইচআইডিসিএলের কাছে হস্তান্তর হবে, তা জানা নেই। শীঘ্রই এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও মন্ত্রকের মধ্যে আলোচনা হবে বলে আশা করছি।
দীর্ঘ এক বছর ধরে ধস ও নদী ভাঙনে বিধ্বস্ত কালিম্পংয়ের লাইফ লাইন ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। সদ্য অতিক্রান্ত বর্ষার মরশুমে দফা দফায় বন্ধ ছিল রাস্তাটি। কখনও সাত দিন, কখনও ১৫ দিন, এমনকী এক মাসেরও বেশি সময় বন্ধ ছিল। গত বছর সিকিমে হ্রদ বিপর্যয়ের পরও দীর্ঘদিন রাস্তাটি বন্ধ ছিল। যার জেরে শিলিগুড়ি থেকে কালিম্পং ও সিকিমের সঙ্গে ঘুরপথে যোগাযোগ করতে হয়। এতে বিপর্যস্ত হয় পাহাড়ের অর্থনীতি, পর্যটন ব্যবসা। এজন্যই রাস্তাটির কালিম্পংয়ের অংশ নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপের দাবি ওঠে। কয়েক মাস আগে সিকিমের এক সাংসদ এবিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি জানান। দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তাও এব্যাপারে কেন্দ্রের কাছে দরবার করেন।
অবশেষে বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রশাসন সূত্রের খবর, জাতীয় সড়কের কালিম্পংয়ের অংশ এনএইচআইডিসিএল রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বভার নিয়েছে। ২৯ অক্টোবর এব্যাপারে গেজেট নোটিফিকেশন জারি করেছে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ এবং হাইওয়ে মন্ত্রক। ন্যাশনাল হাইওয়ে অ্যাক্টের ১৯৫৬’র ৫ ধারায় এই ক্ষমতা প্রদত্ত করা হচ্ছে। দার্জিলিংয়ের সাংসদ বলেন, রাস্তাটি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করার দায়িত্ব এনএইচআইডিসিএলের কাছে হস্তান্তর করার দাবি বারবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জানিয়েছি। সেই দাবি এবার পূরণ হয়েছে। যুগান্তকারী এই সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গাদকারির কাছে কৃতজ্ঞ। এতে এই এলাকার ছাত্র, পর্যটক, বাণিজ্য সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক উপকার হবে।
শিলিগুড়ি থেকে কালিম্পং হয়ে সিকিমের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। সেভক থেকে রংপো পর্যন্ত অংশের দৈর্ঘ্য ৫২.১০ কিলোমিটার। দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট অংশের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে রাজ্য পূর্তদপ্তরের হাইওয়ে ডিভিশনের-১০ বিভাগ। রাস্তাটির একপাশে তিস্তা, অন্যপাশে পাহাড়। প্রশাসন সূত্রের খবর, এবার বর্ষায় রাস্তাটির একাধিক জায়গা ভাঙন ও ধসের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে ২৫টি স্থানকে ভার্নারেবল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিছু জায়গায় পাহাড় কেটে নতুন রাস্তা তৈরি করা হয়েছে।
দীর্ঘ এক বছর ধরে ধস ও নদী ভাঙনে বিধ্বস্ত কালিম্পংয়ের লাইফ লাইন ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। সদ্য অতিক্রান্ত বর্ষার মরশুমে দফা দফায় বন্ধ ছিল রাস্তাটি। কখনও সাত দিন, কখনও ১৫ দিন, এমনকী এক মাসেরও বেশি সময় বন্ধ ছিল। গত বছর সিকিমে হ্রদ বিপর্যয়ের পরও দীর্ঘদিন রাস্তাটি বন্ধ ছিল। যার জেরে শিলিগুড়ি থেকে কালিম্পং ও সিকিমের সঙ্গে ঘুরপথে যোগাযোগ করতে হয়। এতে বিপর্যস্ত হয় পাহাড়ের অর্থনীতি, পর্যটন ব্যবসা। এজন্যই রাস্তাটির কালিম্পংয়ের অংশ নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপের দাবি ওঠে। কয়েক মাস আগে সিকিমের এক সাংসদ এবিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি জানান। দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তাও এব্যাপারে কেন্দ্রের কাছে দরবার করেন।
অবশেষে বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রশাসন সূত্রের খবর, জাতীয় সড়কের কালিম্পংয়ের অংশ এনএইচআইডিসিএল রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বভার নিয়েছে। ২৯ অক্টোবর এব্যাপারে গেজেট নোটিফিকেশন জারি করেছে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ এবং হাইওয়ে মন্ত্রক। ন্যাশনাল হাইওয়ে অ্যাক্টের ১৯৫৬’র ৫ ধারায় এই ক্ষমতা প্রদত্ত করা হচ্ছে। দার্জিলিংয়ের সাংসদ বলেন, রাস্তাটি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করার দায়িত্ব এনএইচআইডিসিএলের কাছে হস্তান্তর করার দাবি বারবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জানিয়েছি। সেই দাবি এবার পূরণ হয়েছে। যুগান্তকারী এই সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গাদকারির কাছে কৃতজ্ঞ। এতে এই এলাকার ছাত্র, পর্যটক, বাণিজ্য সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক উপকার হবে।
শিলিগুড়ি থেকে কালিম্পং হয়ে সিকিমের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। সেভক থেকে রংপো পর্যন্ত অংশের দৈর্ঘ্য ৫২.১০ কিলোমিটার। দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট অংশের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে রাজ্য পূর্তদপ্তরের হাইওয়ে ডিভিশনের-১০ বিভাগ। রাস্তাটির একপাশে তিস্তা, অন্যপাশে পাহাড়। প্রশাসন সূত্রের খবর, এবার বর্ষায় রাস্তাটির একাধিক জায়গা ভাঙন ও ধসের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে ২৫টি স্থানকে ভার্নারেবল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিছু জায়গায় পাহাড় কেটে নতুন রাস্তা তৈরি করা হয়েছে।



