সংবাদদাতা, চোপড়া: এবার প্রায় ৩২০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হচ্ছে চোপড়ায়। অথচ ব্লকে নেই কোনও হিমঘর। তাই এলাকায় হিমঘরের দাবি জোরালো হচ্ছে। যদিও এই দাবি দীর্ঘদিনের।
Advertisement
চোপড়ার আটটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় কমবেশি আলু চাষ হয়। কিন্তু আলু রাখার কোনও জায়গা না থাকায় সমস্যায় পড়েছেন চাষিরা। প্রতিবছর এই সমস্যা।
তিনমাইল এলাকার আলুচাষি মধুসূদন সরকার বলেন, এলাকায় হিমঘর না থাকায় ইসলামপুরের হিমঘরে আলু রাখতে হয়। এতে গাড়িভাড়া বেশি পড়ে। তার উপর ভোগান্তি তো রয়েইছে। ব্লকে হিমঘর না থাকায় চোপড়ার চাষিরা সস্তায় আলু বিক্রি করে দেন ফঁড়েদের কাছে।
চোপড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি ফজলুল হক বলেন, চোপড়ায় চা ও আনারসের পাশাপাশি আলু চাষও ভালো হয়।
এখানে হিমঘরের প্রয়োজন আছে। শিল্পপতিদের কেউ উৎসাহিত হলে পঞ্চায়েত সমিতি থেকে সবধরনের সহযোগিতা করা হবে। ব্লক কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার ৩ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। ব্লকের সোনাপুর ও চোপড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সবচেয়ে বেশি আলু চাষ হয়। অন্য গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতেও ধানের পর আলু চাষ হয়।
দাসপাড়ার কৃষক জব্বার আলির বক্তব্য, এলাকায় হিমঘর না থাকায় ইচ্ছা থাকলেও আলু রাখা যাচ্ছে না। তাই অনেকে আলু চাষে উৎসাহ হারাচ্ছেন। চোপড়ার কুমারটোলের রাকেশ সিংহ বলেন, ব্লকে একটি হিমঘরের প্রয়োজন। ইসলামপুরে আলু রাখতে গিয়ে প্রতিবছরই দুই-তিনদিন গাড়ি নিয়ে লাইনে থাকতে হয়।
পরিবহণ খরচও অনেক। তাছাড়া বন্ড নিয়ে ঝামেলা তো থাকেই। জমি থেকে আলু উঠতে শুরু করায় চোপড়ার চাষিদের অনেকেই অবশ্য ইসলামপুরের হিমঘরে যোগাযোগ শুরু করেছেন। বাধ্য হয়ে। তিনমাইল এলাকার আলুচাষি মধুসূদন সরকার বলেন, এলাকায় হিমঘর না থাকায় ইসলামপুরের হিমঘরে আলু রাখতে হয়। এতে গাড়িভাড়া বেশি পড়ে। তার উপর ভোগান্তি তো রয়েইছে। ব্লকে হিমঘর না থাকায় চোপড়ার চাষিরা সস্তায় আলু বিক্রি করে দেন ফঁড়েদের কাছে।
চোপড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি ফজলুল হক বলেন, চোপড়ায় চা ও আনারসের পাশাপাশি আলু চাষও ভালো হয়।
এখানে হিমঘরের প্রয়োজন আছে। শিল্পপতিদের কেউ উৎসাহিত হলে পঞ্চায়েত সমিতি থেকে সবধরনের সহযোগিতা করা হবে। ব্লক কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার ৩ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। ব্লকের সোনাপুর ও চোপড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সবচেয়ে বেশি আলু চাষ হয়। অন্য গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতেও ধানের পর আলু চাষ হয়।
দাসপাড়ার কৃষক জব্বার আলির বক্তব্য, এলাকায় হিমঘর না থাকায় ইচ্ছা থাকলেও আলু রাখা যাচ্ছে না। তাই অনেকে আলু চাষে উৎসাহ হারাচ্ছেন। চোপড়ার কুমারটোলের রাকেশ সিংহ বলেন, ব্লকে একটি হিমঘরের প্রয়োজন। ইসলামপুরে আলু রাখতে গিয়ে প্রতিবছরই দুই-তিনদিন গাড়ি নিয়ে লাইনে থাকতে হয়।
ঘিরনিগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েতের কোটগছের আলু চাষি বিপুল দাস বলেন, এলাকায় হিমঘর দরকার। স্থানীয় চাষিদের অনেকেই ইসলামপুরের মাদারিপুর এলাকায় হিমঘরে আলু রাখতে যোগাযোগ শুরু করেছেন। এলাকার আরেক চাষি বশিরুদ্দিন মিয়াঁ বলেন, ব্লকে হিমঘর না থাকায় বেশি পরিমাণে আলু চাষ করতে সাহস হয় না।



