সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: আদিনা ফরেস্টের গেট থেকে হরিণ দেখতে যাওয়ার জন্য বয়স্ক পর্যটকদের জন্য শব্দবিহীন টোটো কেনার পরিকল্পনা নিচ্ছে বনদপ্তর। কারণ গেট থেকে হরিণ রাখার জায়গাটির দূরত্ব ২ কিমিরও বেশি। এতটা পথ হেঁটে যেতে ও ফিরে আসতে বয়স্কদের সমস্যা হয়। এমনটাই অভিযোগ পর্যটকদের। তাঁদের সুবিধার্থে তাই এই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে বনদপ্তর। শব্দহীন টোটোতে পাঁচজন বসতে পারবেন। আগামী সপ্তাহে দপ্তরের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা আদিনা ফরেস্ট পরির্দশনে আসতে পারেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। তবে সেটি কবে চালু হবে, কত করে ভাড়া লাগবে, সেবিষয়ে এখনই স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। গাজোলের রেঞ্জ অফিসার লতিব শেখ বলেন, হেঁটে এতদূর যেতে প্রবীণদের খুবই কষ্ট হয়। পর্যটকরা গাড়ির আবেদন করেছেন। আমরাও রাজি, সেখানে শব্দবিহীন টোটো চালুর করার।
Advertisement
রেঞ্জ অফিসার বলেছেন, এটি পরিকল্পনার স্তরে রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত বাস্তবায়নের। কলকাতা থেকে অনুমোদন এলেই চালু হয়ে যাবে। দপ্তরকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা আগেও স্থান দেখে গিয়েছেন। আবারও আগামী সপ্তাহে দেখতে আসতে পারেন। দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে গাজোলে পাণ্ডুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে রয়েছে আদিনা গ্রাম। সেখান থেকে দেড় কিমি দূরে আদিনা ফরেস্ট। তবে আদিনা ফরেস্টের গেটে প্রবেশ করলেই হরিণ দেখা যায় না। সেজন্য ফরেস্টের মধ্যে দিয়ে ২ কিমিরও বেশি হাঁটতে হয়। আদিনার একেবারেই শেষ প্রান্তে শিশুপার্ক।
ওই পার্কের পাশে হরিণ, নীলগাই, পাখি রয়েছে। সেই বন্যপ্রাণী দেখতে হেঁটে যেতে অনেকেরই সমস্যা হয়। ছোট ও বয়স্কদের হাঁটতে সমস্যা হয়। ঋষিপুরের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তপন সিংহ বলেন, সেখানে বাইক বা স্কুটার নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ রয়েছে। হেঁটে যাওয়া-আসা মিলিয়ে প্রায় পাঁচকিমি। সেখানে গাড়ির ব্যবস্থা হলে অনেকের সুবিধে হবে।
ওই পার্কের পাশে হরিণ, নীলগাই, পাখি রয়েছে। সেই বন্যপ্রাণী দেখতে হেঁটে যেতে অনেকেরই সমস্যা হয়। ছোট ও বয়স্কদের হাঁটতে সমস্যা হয়। ঋষিপুরের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তপন সিংহ বলেন, সেখানে বাইক বা স্কুটার নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ রয়েছে। হেঁটে যাওয়া-আসা মিলিয়ে প্রায় পাঁচকিমি। সেখানে গাড়ির ব্যবস্থা হলে অনেকের সুবিধে হবে।



