সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: শীতের মরশুমে পর্যটকদের জন্য নতুনভাবে সেজে উঠছে সাঁকরাইলের কাদোপাল এগ্রো ট্যুরিজম পার্ক। এই পার্কটি সাঁকরাইল পঞ্চায়েত সমিতি দেখভাল করে। বিগত প্রায় দু’বছর অগোছালোভাবে পড়ে থাকার পর নতুনভাবে সাজিয়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। এই পার্কে নতুন একটি প্রজাপতি বাগান তৈরির জন্য ব্লক প্রশাসনের তরফে সংশ্লিষ্ট শীর্ষ প্রশাসনের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কোনও এজেন্সিকে পার্কের দেখভালের দায়িত্ব দেওয়ার ব্যাপারেও ভাবনাচিন্তা করছে প্রশাসন।
Advertisement
কয়েক বছর আগে ঝাড়গ্রামের সাঁকরাইল ব্লকের রোহিণী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ৭৫ একর জমির উপর এই পার্ক নির্মিত হয়। ডুলুং ও সুবর্ণরেখা নদী ঘেরা এই পার্কটি একটি ছোট্ট দ্বীপের মতো অবস্থান করছে। পর্যটনের জন্য এটি একটি আকর্ষণীয় জায়গা। আম, ড্রাগন সহ বিভিন্ন ফলের গাছ এখানে রয়েছে। মাটি সৃষ্টি প্রকল্পের হাত ধরে এখানে সব্জি চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পার্কে রয়েছে বহু জাতের ঔষধি গাছ। নৌকায় চড়েও এই পার্কে পৌঁছনো যায়। পর্যটকদের জন্য এই পার্কে আটটি কটেজ সহ দু’টি ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। ওয়াচ টাওয়ারে উঠে রাতের জঙ্গলের রোমাঞ্চকর পরিবেশ দেখার সুযোগ পান পর্যটকরা। এখানে রয়েছে ৯৫টি সোলার স্ট্রিট লাইট।
প্রসঙ্গত, ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন পর্যটন স্থল ও প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য বহু আগেই এই জেলা পর্যটনের মানচিত্রে জায়গা করে নিয়েছে। বেলপাহাড়ী এলাকার লালজল পাহাড়ের আদি মানব গুহা, খাঁদারানি জলাধার, জামবনীর কনকদুর্গা মন্দির, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ি, গোপীবল্লভপুরের ঝিল্লির পাখিরালয়, নয়াগ্রামের রামেশ্বরের মন্দির ও তপোবন সহ বিভিন্ন জায়গা দেখার মতো। এবার সাঁকরাইলের কাদোপাল এগ্রো ট্যুরিজম পার্কটিকে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন পর্যটন স্থল ও প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য বহু আগেই এই জেলা পর্যটনের মানচিত্রে জায়গা করে নিয়েছে। বেলপাহাড়ী এলাকার লালজল পাহাড়ের আদি মানব গুহা, খাঁদারানি জলাধার, জামবনীর কনকদুর্গা মন্দির, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ি, গোপীবল্লভপুরের ঝিল্লির পাখিরালয়, নয়াগ্রামের রামেশ্বরের মন্দির ও তপোবন সহ বিভিন্ন জায়গা দেখার মতো। এবার সাঁকরাইলের কাদোপাল এগ্রো ট্যুরিজম পার্কটিকে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে।



