সংবাদদাতা, বহরমপুর: নবান্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে শখের যাত্রা গানে মজেছে গ্রাম বাংলা। এবার কার্যত যাত্রা গানের হিড়িক পড়ে গিয়েছে। নবান্নের দিন এবং তার পরদিন বা আরও একদিন পর মুর্শিদাবাদের সিংহভাগ গ্রামেই যাত্রা পালার আসর বসছে। কোথাও সামাজিক পালাগান, কোথাও পৌরাণিক যাত্রাপালার আয়োজন করেছেন ক্লাবের সদস্যরা। ফের গ্রামে গ্রামে যাত্রাপালার প্রসার বাড়ায় ভাড়ার মহিলা যাত্রাশিল্পী ও সহযোগী শিল্পীরা সুদিন ফেরার আশা করছেন। যাত্রা শিল্পীদের দাবি, একসময়ে শখের যাত্রার দর্শক কমে যাওয়ায় প্রাচীন এই লোকশিল্প খাদের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছিল। রাজ্য সরকার যাত্রা গান এবং যাত্রা শিল্পীদের উৎসাহ ভাতার ব্যবস্থা করায় তাঁরা কোনওমতে টিকে আছেন।
Advertisement
রাঢ় এলাকার মানুষ অগ্রহায়ণ মাসে নতুন ধান ঘরে উঠলেই নবান্ন উৎসব পালন করে। এই রেওয়াজ প্রাচীন। বিভিন্ন গ্রামে অগ্রহায়ণ মাসের কোনও একটি শুভদিন ঠিক করে গ্রামের সমস্ত মানুষ একইদিনে নবান্ন পালন করেন। এবার অগ্রহায়ণ মাসের ৮ তারিখ প্রায় ৮০ শতাংশ গ্রামের মানুষ নবান্ন উৎসব করছেন। রবিবার স্কুল, কলেজ, অফিস, আদালত ছুটি থাকায় এই দিনটি বেছে নিয়েছেন অধিকাংশ গ্রামবাসী। ফলে যাত্রাগানও হচ্ছে নবান্নের দিন বা তার পরদিন। একইদিনে নবান্ন হওয়ায় শখের যাত্রাদলগুলি ভাড়ার যাত্রা পার্টির বায়না করতে পারেননি। ফলে নবান্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে এবার পরপর তিনদিন যাত্রা চলবে।
রবিবার একইদিনে যাত্রার আসর বসছে বড়ঞা ব্লকের ধান্যঘরা, মামুদপুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে। ধন্যঘড়ার যাত্রাশিল্পী পঙ্কজ মণ্ডল বলেন, পাঁচ বছর ধরে আমরা নবান্নের দিন যাত্রা করে আসছি। এবার পাশাপাশি গ্রামগুলিতে একই দিনে যাত্রা হওয়ায় দর্শক সংখ্যা কম হবে বলেও মনে হচ্ছে।
আজ সোমবার যাত্রা হচ্ছে পারশালিকা যুব সমিতির উদ্যোগে। যুব সমিতির সদস্য তুষারকান্তি ঘোষ বলেন, সবাই সারা বছর নিজের নিজের কাজে ব্যস্ত থাকে। একঘেয়েমি কাটাতে মনের খোরাক দরকার। বছরের এই একটা দিন নিজেদের শখ মেটাই। গ্রামের মানুষও রাত জেগে উপভোগ করে।
যাত্রা গানের জন্য মহিলা শিল্পীদের সঙ্গে যন্ত্রশিল্পী, আলোক শিল্পীদের ভাড়ায় আনা হয়। তারজন্য বিভিন্ন এলাকায় অপেরা দল গজিয়ে উঠেছে। হরগৌরী সাজঘর নামে অপেরা দল পরিচালনা করেন গোলক ঘোষ। গোলকবাবু বলেন, যাত্রায় বহু শিল্পী জড়িয়ে আছেন। যাত্রার আয় থেকেই তাঁদের সারা বছর চলে। একসময় বায়না তলানিতে এসে ঠেকায় শিল্পীরা সমস্যায় পড়েছিলেন। ফের যাত্রার সুদিন ফিরে আসছে।
রবিবার একইদিনে যাত্রার আসর বসছে বড়ঞা ব্লকের ধান্যঘরা, মামুদপুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে। ধন্যঘড়ার যাত্রাশিল্পী পঙ্কজ মণ্ডল বলেন, পাঁচ বছর ধরে আমরা নবান্নের দিন যাত্রা করে আসছি। এবার পাশাপাশি গ্রামগুলিতে একই দিনে যাত্রা হওয়ায় দর্শক সংখ্যা কম হবে বলেও মনে হচ্ছে।
আজ সোমবার যাত্রা হচ্ছে পারশালিকা যুব সমিতির উদ্যোগে। যুব সমিতির সদস্য তুষারকান্তি ঘোষ বলেন, সবাই সারা বছর নিজের নিজের কাজে ব্যস্ত থাকে। একঘেয়েমি কাটাতে মনের খোরাক দরকার। বছরের এই একটা দিন নিজেদের শখ মেটাই। গ্রামের মানুষও রাত জেগে উপভোগ করে।
যাত্রা গানের জন্য মহিলা শিল্পীদের সঙ্গে যন্ত্রশিল্পী, আলোক শিল্পীদের ভাড়ায় আনা হয়। তারজন্য বিভিন্ন এলাকায় অপেরা দল গজিয়ে উঠেছে। হরগৌরী সাজঘর নামে অপেরা দল পরিচালনা করেন গোলক ঘোষ। গোলকবাবু বলেন, যাত্রায় বহু শিল্পী জড়িয়ে আছেন। যাত্রার আয় থেকেই তাঁদের সারা বছর চলে। একসময় বায়না তলানিতে এসে ঠেকায় শিল্পীরা সমস্যায় পড়েছিলেন। ফের যাত্রার সুদিন ফিরে আসছে।



