সংবাদদাতা, মানিকচক: মানিকচক কলেজের নবীনবরণের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে। স্টেজে অনুষ্ঠান চলাকালীন বিধায়ক সাবিত্রী মিত্রের সামনে বচসা, হাতাহাতিতে জড়ালেন সংগঠনের কর্মীরা। মানিকচক থানার পুলিস বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
Advertisement
মঙ্গলবার কলেজের টিএমসিপির পক্ষ থেকে বহিরাগত শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক সাবিত্রী সহ অন্যরা। নবীনদের সংবর্ধনা শেষে অনুষ্ঠান শুরু হতেই মঞ্চে ওঠাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় বচসা। অভিযোগ, টিএমসিপি ব্লক সভাপতি আশীষ মণ্ডল পুলিসের মাধ্যমে সংগঠনের আরেক নেতা শেখ রনি সহ অন্যদের মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। যাকে ঘিরে বচসার সূত্রপাত। তর্কাতর্কির পর হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। রনির অভিযোগ, আমাদের জন্য এই অনুষ্ঠান মঞ্চ, আমাদেরই নামিয়ে দিচ্ছিলেন ব্লক সভাপতি। সেজন্য বচসা হয়।
রনির অভিযোগ, মালদহ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ মালাকার সহ অনেককে আমন্ত্রণ জানাননি ব্লক সভাপতি। এই পক্ষপাতিত্বের জন্য ক্ষোভ বাড়ছিল।
যদিও সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন আশীষ। তিনি বলেন, পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। গোষ্ঠী কোন্দলের বিষয়ও নেই। মঞ্চে বিশৃঙ্খলা হওয়ায় নামতে বলা হয়েছিল।
তবে এই ঘটনাকে ভালোভাবে নেননি বিধায়ক। তিনি বলেন, এই ধরনের ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। সকলে একসঙ্গে বসে সমস্যার সমাধান করতে হবে।
তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল দেখে কটাক্ষ করেছেন জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক গৌরচন্দ্র মণ্ডল। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে। আজ তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
রনির অভিযোগ, মালদহ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ মালাকার সহ অনেককে আমন্ত্রণ জানাননি ব্লক সভাপতি। এই পক্ষপাতিত্বের জন্য ক্ষোভ বাড়ছিল।
যদিও সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন আশীষ। তিনি বলেন, পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। গোষ্ঠী কোন্দলের বিষয়ও নেই। মঞ্চে বিশৃঙ্খলা হওয়ায় নামতে বলা হয়েছিল।
তবে এই ঘটনাকে ভালোভাবে নেননি বিধায়ক। তিনি বলেন, এই ধরনের ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। সকলে একসঙ্গে বসে সমস্যার সমাধান করতে হবে।
তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল দেখে কটাক্ষ করেছেন জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক গৌরচন্দ্র মণ্ডল। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে। আজ তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।



