নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: নাবালিকাদের টার্গেট করত রাজস্থানের রমেশ গ্যাং। ১৮বছরের কমবয়সি মেয়েদের বিক্রি করে তারা বেশি টাকা ফায়দা তুলত। সেকারণে গ্যাংয়ের এজেন্টদের নাবালিকাদের বেশি সংখ্যায় জালে তোলার নির্দেশ দিয়েছিল। চক্রের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড রাজস্থানের রমেশ কুমারকে গ্রেপ্তার করে পুলিস এমনই তথ্য জানতে পেরেছে। তার দুই সঙ্গীর খোঁজে পুলিস তল্লাশি শুরু করেছে। তাদের একজনের বাড়ি রাজস্থানে। অন্যজন বর্ধমানের বাসিন্দা।
Advertisement
কীভাবে নারী পাচারের সিন্ডিকেট চালাত রমেশ? পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, একসময় সে একজনের অধীনে এজেন্টের কাজ করত। সেই সূত্রে সে এরাজ্যে যাতায়াত শুরু করে। আসানসোলে সে বিয়েও করে। সেখানে ডেরা বেঁধেই সে নেটওয়ার্ক বাড়াতে থাকে। পূর্ব বর্ধমান, হুগলি সহ সে বিভিন্ন জেলায় এজেন্ট তৈরি করে। তাদের কাজ ছিল নাবালিকাদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা। পরে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের রমেশের হাতে তুলে দিত। গলসির নাবালিকাকেও তারা এই কায়দাতেই জালে তুলেছিল। ওই নাবালিকা বলে, বর্ধমানে ঘুরতে এসে এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয়। ওই যুবক নিজে থেকে পরিচয় করে। সম্পর্ক বেশ কিছুদিন গড়ানোর পর সে কাজের অফার দেয়। বাড়ির আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। সেকারণে সে কাজের ‘অফার’ দেওয়ায় মনে হয়েছিল খারাপ দিন শেষ হতে চলেছে। কিন্তু সে আমাকে বিক্রি করে দেবে বলে ভাবতে পারিনি। ওই যুবক বর্ধমান স্টেশনে রমেশের সঙ্গে পরিচয় করায়। সে কাজের টোপ দিয়ে রাজস্থানে নিয়ে যায়।
রমেশ জেরায় জানিয়েছে, রাজস্থানে বিয়ের জন্য অনেকেই পাত্রী পায় না। তারা মেয়ে কিনতে চায়। তাদের প্রথম পছন্দ নাবালিকা। এক লক্ষ ৭০হাজার থেকে দু’লক্ষ টাকায় তারা নাবালিকাদের কেনে। পরে তারা আবার তাদের অন্যত্র বিক্রি করে দেয়। এরাজ্যের নাবালিকারাই তাদের বেশি টার্গেট। এরাজ্যের বিভিন্ন জেলায় চক্রের বহু এজেন্ট ছড়িয়ে রয়েছে। তারা কমিশনের বিনিময়ে কাজ করে। কোনও নাবালিকাকে জালে জড়াতে পারলে তারা পাঁচ থেকে ১০হাজার টাকা কমিশন পায়। পূর্ব বর্ধমানের পুলিস সুপার সায়ক দাস বলেন, গলসির পরিবারটি নিখোঁজ ডায়েরি করার পরই আমরা তদন্ত শুরু করি। ওই নাবালিকাকে কয়েক মাস আগে রাজস্থান থেকে উদ্ধার করা হয়। তাকে আটকে রাখার অভিযোগে সেইসময় এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জেরা করে রমেশের নাম জানা যায়। পরে পুলিসের একটি দল আবার রাজস্থানে যায়। সেখানে নানা থানা এলাকা থেকে তাকে পাকড়াও করা হয়। পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ওই চক্রের আর এক পাণ্ডা রাজস্থানের বাসিন্দা। সে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। এছাড়া এরাজ্যে ছড়িয়ে থাকা এজেন্টদের খোঁজেও পুলিস তল্লাশি শুরু করেছে।
রমেশ জেরায় জানিয়েছে, রাজস্থানে বিয়ের জন্য অনেকেই পাত্রী পায় না। তারা মেয়ে কিনতে চায়। তাদের প্রথম পছন্দ নাবালিকা। এক লক্ষ ৭০হাজার থেকে দু’লক্ষ টাকায় তারা নাবালিকাদের কেনে। পরে তারা আবার তাদের অন্যত্র বিক্রি করে দেয়। এরাজ্যের নাবালিকারাই তাদের বেশি টার্গেট। এরাজ্যের বিভিন্ন জেলায় চক্রের বহু এজেন্ট ছড়িয়ে রয়েছে। তারা কমিশনের বিনিময়ে কাজ করে। কোনও নাবালিকাকে জালে জড়াতে পারলে তারা পাঁচ থেকে ১০হাজার টাকা কমিশন পায়। পূর্ব বর্ধমানের পুলিস সুপার সায়ক দাস বলেন, গলসির পরিবারটি নিখোঁজ ডায়েরি করার পরই আমরা তদন্ত শুরু করি। ওই নাবালিকাকে কয়েক মাস আগে রাজস্থান থেকে উদ্ধার করা হয়। তাকে আটকে রাখার অভিযোগে সেইসময় এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জেরা করে রমেশের নাম জানা যায়। পরে পুলিসের একটি দল আবার রাজস্থানে যায়। সেখানে নানা থানা এলাকা থেকে তাকে পাকড়াও করা হয়। পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ওই চক্রের আর এক পাণ্ডা রাজস্থানের বাসিন্দা। সে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। এছাড়া এরাজ্যে ছড়িয়ে থাকা এজেন্টদের খোঁজেও পুলিস তল্লাশি শুরু করেছে।



