Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নাবালিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগে ধৃত দাঁতের ডাক্তার

নাবালিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগে ধৃত দাঁতের ডাক্তার
  • ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: দাঁতের ডাক্তারের বিরুদ্ধে নাবালিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার নাকাশিপাড়া থানার বেথুয়াডহরিতে এনিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়। অভিযুক্ত ডেন্টিস্ট অলোকচাঁদ বিশ্বাস ও তাঁর মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্টকে মারধর করে স্থানীয়রা। নাবালিকার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত চিকিৎসককে নাকাশিপাড়া থানার পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার তাঁকে কৃষ্ণনগর আদালতে তোলা হবে। ওই চিকিৎসক অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, বেথুয়া এলাকার এক দম্পতি তাঁদের দুই মেয়েকে নিয়ে চিকিৎসা করাতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে স্বামী ১৪বছরের মেয়েকে নিয়ে দাঁতের ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলেন। স্ত্রী ছোট মেয়েকে নিয়ে কিছু দূরে হাড়ের ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু ছোট মেয়ে সেখানে কাঁদতে শুরু করে। তখন ওই মহিলা ফোন করে স্বামীকে ডেকে নেন। অভিযোগ, এরপর ওই দাঁতের ডাক্তার নাবালিকাকে চেম্বারের ভিতরে ডেকে নেয়। তারপর অ্যাসিস্ট্যান্টকে চা-বিস্কুট আনতে বলে। অ্যাসিস্ট্যান্ট বাইরে গেলে চিকিৎসক ওই নাবালিকার শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ।
ওই দম্পতির অভিযোগ, নাবালিকা চেম্বার থেকে বেরোনোর পর তাঁদের বলে, ‘এই ডাক্তারের কাছে আমাকে আর কখনও নিয়ে আসবে না।’ তাকে প্রশ্ন করে পুরো বিষয়টি জানার পর দম্পতি চিৎকার করতে থাকেন। এরপরই আশপাশের লোকজন চেম্বারের সামনে জড়ো হয়। ওই ডেন্টিস্ট ও তাঁর অ্যাসিস্ট্যান্ট চেম্বার থেকে বের হলে স্থানীয়রা তাঁদের মারধর করে। এরপর নাবালিকার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই দাঁতের ডাক্তারকে পুলিস গ্রেপ্তার করে। নাবালিকার বাবা বলেন, স্ত্রী আমাকে ফোন করে ডেকেছিল। আমি গিয়ে স্ত্রীর এক্স-রে রিপোর্ট করাই। ডাক্তারকে বলেই গিয়েছিলাম। এসে দেখি, মেয়ের ডাক্তার দেখানো হয়ে গিয়েছে। বেরিয়ে আসার সময় মেয়ে আমাকে বলে, তাকে যেন এখানে আর নিয়ে না আসি। তারপর পুরো ঘটনা ওর মাকে খুলে বলে। অভিযুক্ত ডেন্টিস্ট বলেন, আমাকে ক্লিনিক করতে দেবে না বলে এরকম করা হচ্ছে। এখানে সবসময় একজন মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট থাকেন। সম্পূর্ণ মিথ্যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ