সংবাদদাতা, কাটোয়া: গুসকরা শহরে একটি বাড়ির কালীমন্দিরে পুজো করতে এসে নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল পুরোহিতের বিরুদ্ধে। শুক্রবার সকালে এমন ঘটনার পরেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। পুরোহিতকে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরেই ওই পুরোহিতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতের নাম বিমলচন্দ্র রায়। তার বাড়ি ভাতারের রামচন্দ্রপুরে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গুসকরা শহরের একটি বাড়ির কালীপুজো করত ওই পুরোহিত। তিনি দীর্ঘ ৭-৮ বছর ধরে পুজো করতেন। বৃহস্পতিবারও তিথি মেনেই প্রায় ৭০ বছর বয়সি ওই পুরোহিত ভাতার থেকে গুসকরা শহরে পুজো করতে আসেন। পুজো শেষ হতে এদিন ভোর হয়ে যায়। অভিযোগ, তারপর একটি ঘরে পোশাক বদলানোর অছিলায় ঢোকে ওই পুরোহিত। সেখানে ওই বাড়ির নাবালিকাকে একা পেয়ে শ্লীলতাহানি করেন। সে সময় বাড়িতে ওই কিশোরীর মা ছিলেন না। পরে বাড়ি ফিরতেই মেয়ের মুখে সমস্ত ঘটনা তিনি শোনেন। তারপরেই পুরোহিতের সঙ্গে ওই পরিবারের বচসা শুরু হয়। গুসকরা ফাঁড়ির পুলিসকে ডেকে পুরোহিতকে তুলে দেওয়া হয়। এদিন দুপুরে নির্যাতিতার পরিবার ওই পুরোহিতের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গুসকরা ফাঁড়ির পুলিস জানিয়েছে, শনিবার ধৃতকে বর্ধমানে পকসো সংক্রান্ত আদালতে হাজির করানো হবে। পাশাপাশি পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গুসকরা শহরের একটি বাড়ির কালীপুজো করত ওই পুরোহিত। তিনি দীর্ঘ ৭-৮ বছর ধরে পুজো করতেন। বৃহস্পতিবারও তিথি মেনেই প্রায় ৭০ বছর বয়সি ওই পুরোহিত ভাতার থেকে গুসকরা শহরে পুজো করতে আসেন। পুজো শেষ হতে এদিন ভোর হয়ে যায়। অভিযোগ, তারপর একটি ঘরে পোশাক বদলানোর অছিলায় ঢোকে ওই পুরোহিত। সেখানে ওই বাড়ির নাবালিকাকে একা পেয়ে শ্লীলতাহানি করেন। সে সময় বাড়িতে ওই কিশোরীর মা ছিলেন না। পরে বাড়ি ফিরতেই মেয়ের মুখে সমস্ত ঘটনা তিনি শোনেন। তারপরেই পুরোহিতের সঙ্গে ওই পরিবারের বচসা শুরু হয়। গুসকরা ফাঁড়ির পুলিসকে ডেকে পুরোহিতকে তুলে দেওয়া হয়। এদিন দুপুরে নির্যাতিতার পরিবার ওই পুরোহিতের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গুসকরা ফাঁড়ির পুলিস জানিয়েছে, শনিবার ধৃতকে বর্ধমানে পকসো সংক্রান্ত আদালতে হাজির করানো হবে। পাশাপাশি পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।



