সংবাদদাতা, ইটাহার: এক নাবালিকাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ এবং অশ্লীল ছবি ভাইরাল করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি পুলিসকে জানালে নাবালিকা ও তার বাবাকে খুনের হুমকি দেয় ওই যুবক। সম্মান বাঁচাতে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করে ওই নাবালিকা। অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার ইটাহার থানার পুলিস যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম মহম্মদ সেফাতুল্লা। ঘটনার তদন্ত চলছে।
Advertisement
পরিজনের অভিযোগ, গ্রামের যুবক সেফাতুল্লা ছ’মাস আগে নাবালিকাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করে। সে নাবালিকাকে ভয় দেখায় যাতে সম্পর্কের কথা কাউকে না জানায়। জানালে অশ্লীল ছবি সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল করার হুমকিও দেয়। তাই নাবালিকা ভয়ে কাউকে কিছু জানায়নি। এরপর ২৬ ফেব্রুয়ারি ফের ওই যুবক নাবালিকাকে ফোন করে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের জন্য চাপ দেয়। কিন্তু নাবালিকা তাতে রাজি হয়নি। উল্টে নাবালিকা সমস্ত ঘটনা বাড়িতে জানাবে বলে জানায়। এরপর যুবক নাবালিকাকে ফের ফোন করে হুমকি দেয় যে এই ঘটনা পুলিসকে জানালে নাবালিকা ও তার বাবাকে খুন করা হবে। এরপর নাবালিকা ভয় পেয়ে সম্মান বাঁচাতে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করে। নাবালিকাকে উদ্ধার করে রায়গঞ্জ মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়।
এরপর পরিজনরা সমস্ত ঘটনা মেয়ের কাছ থেকে শুনে ওই যুবকের বাড়িতে জানান। তবে যুবকের বাড়ির লোক উল্টে নাবালিকা সহ তার পরিজনকে গালিগালাজ করে এবং মারতে উদ্যত হয় বলে অভিযোগ। এরপর নাবালিকার বাবা ওই যুবক সহ তার বাবা ও মায়ের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এই বিষয়ে নাবালিকার বাবা বলেন, আমার মেয়েকে ওই যুবক ধর্ষণ করে উল্টে খুনের হুমকি দিচ্ছে। আমি দোষীর কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। ইটাহার থানার পুলিস জানিয়েছে, ধৃত যুবককে সোমবার রায়গঞ্জ জেলা আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক ধৃতের সাত দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। ঘটনার তদন্ত চলছে।
এরপর পরিজনরা সমস্ত ঘটনা মেয়ের কাছ থেকে শুনে ওই যুবকের বাড়িতে জানান। তবে যুবকের বাড়ির লোক উল্টে নাবালিকা সহ তার পরিজনকে গালিগালাজ করে এবং মারতে উদ্যত হয় বলে অভিযোগ। এরপর নাবালিকার বাবা ওই যুবক সহ তার বাবা ও মায়ের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এই বিষয়ে নাবালিকার বাবা বলেন, আমার মেয়েকে ওই যুবক ধর্ষণ করে উল্টে খুনের হুমকি দিচ্ছে। আমি দোষীর কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। ইটাহার থানার পুলিস জানিয়েছে, ধৃত যুবককে সোমবার রায়গঞ্জ জেলা আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক ধৃতের সাত দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। ঘটনার তদন্ত চলছে।



