সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: মায়াপুরে নয় বছরের এক বালিকাকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠল এক হোটেল মালিকের বিরুদ্ধে। ওই নাবালিকার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার রাতে হুলোরঘাট থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের নাম সাধন মণ্ডল। মঙ্গলবার তার বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে। এঘটনায় মায়াপুরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, ১৩ জানুয়ারি হাঁসখালি থেকে সাংসারিক অশান্তির জেরে এক মহিলা তাঁর মেয়েকে নিয়ে মায়াপুরে চলে এসেছিলেন। তাঁরা হুলোরঘাটের কাছে একটি হোটেলে উঠেছিলেন। ওই হোটেলে তাঁরা তিনদিন ছিলেনও। ১৫ জানুয়ারি তাঁরা হোটেল ছেড়ে বাড়ি ফিরে যান। অভিযোগ, বাড়ি ফেরার বেশ কিছুদিন পর ওই বালিকা তার মাকে জানায়, ফেরার দিন প্রথমে ওই হোটেল মালিক হাত ধরে টানাটানি করে তাকে ১০০টাকা দিতে যায়। কিন্তু সে টাকা নেয়নি। এরপর একসময় তার মা ঘরের বাইরে গেলে ওই নাবালিকা ঘরে কম্বল মুড়ে শুয়েছিল। অভিযোগ, সেসময় ওই হোটেল মালিক ঘরে ঢোকে। সে কম্বলের মধ্যে ঢুকে ওই নাবালিকার শ্লীলতাহানি ও যৌন হেনস্তা করে। কিন্তু সেদিন মেয়েটি ভয়ে কাউকে কিছু জানায়নি।
সোমবার দুপুরে নির্যাতিতার মা মায়াপুরে এসে ওই হোটেল মালিকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিস। রাতেই মায়াপুরের হুলোরঘাট থেকে ওই হোটেল মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়। মায়াপুরে দেশবিদেশ থেকে প্রচুর পর্যটক আসেন। সেখানে এমন অভিযোগ ওঠায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃত সাধন মণ্ডলের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করে কৃষ্ণনগর বিশেষ আদালতে তোলা হয়েছিল। পুলিস তদন্তের স্বার্থে তার তিনদিনের হেফাজত চেয়েছিল। বিচারক অভিযুক্তের দু’দিনের পুলিস হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।
সোমবার দুপুরে নির্যাতিতার মা মায়াপুরে এসে ওই হোটেল মালিকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিস। রাতেই মায়াপুরের হুলোরঘাট থেকে ওই হোটেল মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়। মায়াপুরে দেশবিদেশ থেকে প্রচুর পর্যটক আসেন। সেখানে এমন অভিযোগ ওঠায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃত সাধন মণ্ডলের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করে কৃষ্ণনগর বিশেষ আদালতে তোলা হয়েছিল। পুলিস তদন্তের স্বার্থে তার তিনদিনের হেফাজত চেয়েছিল। বিচারক অভিযুক্তের দু’দিনের পুলিস হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।



