নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবকের ১০ বছর জেলের নির্দেশ দিল আদালত। বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ির বিশেষ পকসো আদালতের বিচারক ওই সাজা ঘোষণা করেন। ঘটনাটি ঘটে ২০১৬ সালের জুন মাসে বানারহাট থানার একটি চা বাগানে।
Advertisement
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ১০ বছরের এক প্রতিবেশী নাবালিকাকে ঘরে আটকে ধর্ষণ করে ওই যুবক। নির্যাতিতা অভিযুক্তের সন্তানের বয়সি। একসঙ্গেই খেলছিল তারা। অভিযুক্ত যুবকের স্ত্রী মারা গিয়েছে আগেই। শ্বশুরবাড়িতে থাকত সে। ঘটনার দিন দুপুর ১২টা নাগাদ মেয়েকে দিয়ে ওই নাবালিকাকে ডাকিয়ে আনে অভিযুক্ত। তারপর ছেলেমেয়েকে কিছু টাকা দিয়ে খাবার কিনতে দোকানে পাঠায়। এই সুযোগে ওই নাবালিকাকে ঘরে টেনে নিয়ে এসে দরজা আটকে তার উপর পাশবিক অত্যাচার চালায় অভিযুক্ত যুবক।
মামলার সরকার পক্ষের আইনজীবী দেবাশিস দত্ত বলেন, ঘটনার সময় অভিযুক্তর শাশুড়ি বাড়িতে ছিলেন না। তিনি বাজারে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন, ভিতর থেকে ঘরের দরজা বন্ধ। অনেক ডাকাডাকির পর ভিতর থেকে দরজা খোলে অভিযুক্ত। ঘর থেকে ওই নাবালিকাকেও উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে নাবালিকার পরিবার বানারহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এদিন বিচারক অভিযুক্তকে ১০ বছর জেলের নির্দেশ দেন। সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দু’মাস জেল। নির্যাতিতা নাবালিকাকে চার লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য ডিস্ট্রিক্ট লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটিকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
মামলার সরকার পক্ষের আইনজীবী দেবাশিস দত্ত বলেন, ঘটনার সময় অভিযুক্তর শাশুড়ি বাড়িতে ছিলেন না। তিনি বাজারে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন, ভিতর থেকে ঘরের দরজা বন্ধ। অনেক ডাকাডাকির পর ভিতর থেকে দরজা খোলে অভিযুক্ত। ঘর থেকে ওই নাবালিকাকেও উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে নাবালিকার পরিবার বানারহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এদিন বিচারক অভিযুক্তকে ১০ বছর জেলের নির্দেশ দেন। সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দু’মাস জেল। নির্যাতিতা নাবালিকাকে চার লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য ডিস্ট্রিক্ট লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটিকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।



