সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: নাবালক ভাইপোকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার কাকা। জখম অয়ন রায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে ময়নাগুড়ি ব্লকের সিঙ্গিমারী এলাকায়। ঘটনাটি ঘটে তিন তারিখ রাতে। ৪ তারিখ সকালে জখম অয়ন রায়ের বাবা বাপী রায় ময়নাগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। লিখিত অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিস। গ্রেপ্তার করা হয় বাপি রায়ের জ্যাঠতুতো ভাই দীপককুমার রায়কে।
Advertisement
অভিযোগ, ৩ তারিখ রাতে অভিযুক্ত দীপককুমার রায় সহ বেশ কয়েকজন অয়নকে আব্দুল মোড় সংলগ্ন এলাকায় একা পেয়ে মারধর করে। তাকে রাস্তায় ফেলে বুকে লাথি, মুখে ঘুসি মারা হয়। চোখেও ঘুসি মারা হয়। অয়নকে শ্বাসরোধ করে প্রাণে মারার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। নাবালকের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা আসেন। অয়নকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে। অবস্থা বেগতিক দেখে কর্তৃপক্ষ তাকে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে।
এদিকে অভিযুক্ত দীপক বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি আমার ভাইপোকে কেন মারব? কালীপুজোয় বক্স বাজানোর বিষয় নিয়ে আমার ভাইয়ের সঙ্গে ও ঝামেলা করে। এই নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। আমি সেখানে গিয়েছিলাম। কিন্তু মারামারি হয়নি।
জখম নাবালকের বাবা বাপী রায় বলেন, আমার কাকার বাড়ির সঙ্গে আমাদের কিছু বিষয় নিয়ে বিবাদ ছিল। সেই বিবাদকে কেন্দ্র করে আমার ছেলেকে অভিযুক্তরা হামলা করে। রাস্তায় ফেলে বেধড়কভাবে মারধর করা হয়েছে। আমি অভিযুক্তদের শাস্তি চাই।
আইসি বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে একজনকে গ্রেপ্তার করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
এদিকে অভিযুক্ত দীপক বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি আমার ভাইপোকে কেন মারব? কালীপুজোয় বক্স বাজানোর বিষয় নিয়ে আমার ভাইয়ের সঙ্গে ও ঝামেলা করে। এই নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। আমি সেখানে গিয়েছিলাম। কিন্তু মারামারি হয়নি।
জখম নাবালকের বাবা বাপী রায় বলেন, আমার কাকার বাড়ির সঙ্গে আমাদের কিছু বিষয় নিয়ে বিবাদ ছিল। সেই বিবাদকে কেন্দ্র করে আমার ছেলেকে অভিযুক্তরা হামলা করে। রাস্তায় ফেলে বেধড়কভাবে মারধর করা হয়েছে। আমি অভিযুক্তদের শাস্তি চাই।
আইসি বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে একজনকে গ্রেপ্তার করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।



