নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: নাড়ুয়াবিলা বিস্ফোরণ মামলায় এনআইএ-র হাতে ধৃত দুই তৃণমূল নেতার জামিন মঞ্জুর করল হাইকোর্ট। বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও অপূর্ব সিংহরায় শর্ত সাপেক্ষে বলাইচরণ মাইতি ও মনোব্রত জানার জামিন মঞ্জুর করেছেন। ৫০হাজার টাকার বন্ডে এই জামিনে একগুচ্ছ শর্ত চাপানো হয়েছে। দু’জনকে কলকাতার নিউটাউন থানা এলাকায় থাকতে হবে। সপ্তাহের দু’বার কলকাতা সিটি সেশন কোর্টে হাজিরা দিতে হবে। কোনও সাক্ষীকে প্রভাবিত করা যাবে না। এনআইএ তাঁদের উপর নজরদারি চালাতে পারবে। নিজেদের ব্যবহৃত ফোন নম্বর তদন্তকারী অফিসারকে জানাতে হবে। শর্ত লঙ্ঘন করলে জামিনের অর্ডার বাতিল করবে আদালত।
Advertisement
উল্লেখ্য, ২০২২সালে ২ডিসেম্বর ভূপতিনগর থানার নাড়ুয়াবিলা গ্রামে তৃণমূলের বুথ সভাপতি রাজকুমার মান্নার বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ হয়। সেই ঘটনায় রাজকুমার সহ দলের আরও দুই কর্মীর মৃত্যু হয়। অভিযোগ, বোমা তৈরি করার সময় বিস্ফোরণ হয়। তাতে তিনজনের দেহ ছিন্নভিন্ন হয়। ওই ঘটনায় তদন্তের দায়িত্ব এনআইএকে দেওয়া হয়। ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত ভোট, ২০২৪সালে লোকসভা ভোটের মুখে নোটিস পাঠানো হয়। ওই ঘটনায় শাসক দলের পক্ষ থেকে এনআইএ-র বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা হয়।
২০২৪সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে নাড়ুয়াবিলা বিস্ফোরণ মামলা নিয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে এনআইএ। ওই বছর ৬এপ্রিল ভোররাতে এনআইএ নাড়ুয়াবিলা ও নীচনাড়ুয়া গ্রামে হানা দেয়। ওই দুই গ্রাম থেকে মনোব্রত ও বলাইচরণকে গ্রেপ্তার করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। ধৃত বলাইচরণ তৃণমূলের অর্জুননগর অঞ্চল সভাপতি। মনোব্রত নাড়ুয়াবিলা বুথের সভাপতি। তাঁদের গ্রেপ্তার করে গ্রাম ছাড়ার সময় আক্রান্ত হয় এনআইএ। এজেন্সির অফিসার-কর্মীদের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট, পাথর ছোড়া হয়। দু’জন জখম হন। পুলিসকে না জানিয়ে আধাসেনা নিয়ে এজেন্সি অভিযানে এসেছিল। ওই ঘটনার পর এনআইএ-র পক্ষ থেকে ভূপতিনগর থানায় এফআইআর করা হয়।
গত ১৯জানুয়ারি ধৃত বলাইচরণ ও মনোব্রত জামিনের আবেদন করেন। বুধবার এনিয়ে শুনানি ছিল। এনআইএ-র তরফে তিনজন আইনজীবী কোর্টে সওয়াল করেন। এই মামলায় এখনও চার্জশিট জমা পড়েনি। মোট ৭৮জনের সাক্ষী তালিকা তৈরি করেছে এনআইএ। তাই মামলা নিষ্পত্তি হতে এখনও ঢের বাকি। এই প্রেক্ষাপটে ধৃতদের জামিনের জন্য সওয়াল করেন তাঁদের পক্ষে দাঁড়ানো ছ’জন আইনজীবী। ধৃত দু’জন বেশ প্রভাবশালী এবং পুলিস প্রশাসনের উপর তাঁদের বেশ প্রভাব রয়েছে বলে এনআইএ-র তরফে হাইকোর্টে সওয়াল করা হয়। তাছাড়া, বিস্ফোরণে নিহত পঞ্চানন ঘোড়াইয়ের সঙ্গে ধৃত দু’জনের ফোনকল এবং হোয়াটসঅ্যাপে বেশ যোগাযোগ ছিল বলেও হাইকোর্টের সামনে প্রমাণ তুলে ধরে জামিন আটকানোর পক্ষে সওয়াল করে এজেন্সি। যদিও বিচার প্রক্রিয়া শেষ হতে এখনও অনেকটা সময় লাগার কারণে আদালত দু’জনের জামিন মঞ্জুর করে। তবে, এলাকায় এবং প্রশাসনের উপর তাদের প্রভাব থাকায় শর্ত আরোপ করা হয়েছে। সেই শর্ত লঙ্ঘন করলে জামিন বাতিল করবে হাইকোর্ট।
২০২৪সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে নাড়ুয়াবিলা বিস্ফোরণ মামলা নিয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে এনআইএ। ওই বছর ৬এপ্রিল ভোররাতে এনআইএ নাড়ুয়াবিলা ও নীচনাড়ুয়া গ্রামে হানা দেয়। ওই দুই গ্রাম থেকে মনোব্রত ও বলাইচরণকে গ্রেপ্তার করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। ধৃত বলাইচরণ তৃণমূলের অর্জুননগর অঞ্চল সভাপতি। মনোব্রত নাড়ুয়াবিলা বুথের সভাপতি। তাঁদের গ্রেপ্তার করে গ্রাম ছাড়ার সময় আক্রান্ত হয় এনআইএ। এজেন্সির অফিসার-কর্মীদের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট, পাথর ছোড়া হয়। দু’জন জখম হন। পুলিসকে না জানিয়ে আধাসেনা নিয়ে এজেন্সি অভিযানে এসেছিল। ওই ঘটনার পর এনআইএ-র পক্ষ থেকে ভূপতিনগর থানায় এফআইআর করা হয়।
গত ১৯জানুয়ারি ধৃত বলাইচরণ ও মনোব্রত জামিনের আবেদন করেন। বুধবার এনিয়ে শুনানি ছিল। এনআইএ-র তরফে তিনজন আইনজীবী কোর্টে সওয়াল করেন। এই মামলায় এখনও চার্জশিট জমা পড়েনি। মোট ৭৮জনের সাক্ষী তালিকা তৈরি করেছে এনআইএ। তাই মামলা নিষ্পত্তি হতে এখনও ঢের বাকি। এই প্রেক্ষাপটে ধৃতদের জামিনের জন্য সওয়াল করেন তাঁদের পক্ষে দাঁড়ানো ছ’জন আইনজীবী। ধৃত দু’জন বেশ প্রভাবশালী এবং পুলিস প্রশাসনের উপর তাঁদের বেশ প্রভাব রয়েছে বলে এনআইএ-র তরফে হাইকোর্টে সওয়াল করা হয়। তাছাড়া, বিস্ফোরণে নিহত পঞ্চানন ঘোড়াইয়ের সঙ্গে ধৃত দু’জনের ফোনকল এবং হোয়াটসঅ্যাপে বেশ যোগাযোগ ছিল বলেও হাইকোর্টের সামনে প্রমাণ তুলে ধরে জামিন আটকানোর পক্ষে সওয়াল করে এজেন্সি। যদিও বিচার প্রক্রিয়া শেষ হতে এখনও অনেকটা সময় লাগার কারণে আদালত দু’জনের জামিন মঞ্জুর করে। তবে, এলাকায় এবং প্রশাসনের উপর তাদের প্রভাব থাকায় শর্ত আরোপ করা হয়েছে। সেই শর্ত লঙ্ঘন করলে জামিন বাতিল করবে হাইকোর্ট।



