সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও আবাস তালিকায় নাম! ভাগীরথী তীরবর্তী নবদ্বীপ মাজদিয়া পানশিলা পঞ্চায়েতের ফরেস্টডাঙা গ্রামে এমনই ঘটনা সামনে এসেছে। ওই সব উপভোক্তার নাম বাদ দেওয়ার জন্য ব্লক প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য।
Advertisement
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই গ্রামের অধিকাংশ মানুষই জনমজুর। বাসস্থান বলতে গেলে পাটকাঠির দেওয়াল আর ভাঙাচোরা টিনের আচ্ছাদন। বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে সেই টিনের চালে প্লাস্টিক বা ত্রিপল চাপিয়েছেন কেউ কেউ। এইসব পরিবারের নাম আবাস তালিকায় আসেনি। বাসিন্দাদের অভিযোগ, এর আগে আবাস তালিকায় নাম থাকলেও এবারের তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকী, সেটা হয়েছে কোনওরকম তদন্ত ছাড়াই। কিন্তু, ওই গ্রামেরই দু’টি পরিবারের পাকা বাড়ি রয়েছে। বাড়ির সামনে তৈরি হচ্ছে দোকান ঘর। অথচ তাঁদের নাম আবাস তালিকায় রয়েছে। এছাড়াও পঞ্চায়েত এলাকার আরও বেশ কয়েকজনের নাম এভাবেই আবাস তালিকায় রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা বিমল চৌধুরী বলেন, টিনের চালের পাটকাঠি ও দরমার ঘরে থাকি। বৃষ্টির মধ্যে খুব অসুবিধা হয়। আগের তালিকায় আমাদের নাম ছিল। আধিকারিকরা বলেছিলেন ঘর পাব। কিন্তু, বর্তমান তালিকায় নাম নেই। কেন এমন হল জানি না। কেউ তদন্ত করতেও আসেনি।
শিপ্রা রায় বলেন, আমার স্বামী নিমাই রায় রাস্তায় রাস্তায় ঘটি গরম বিক্রি করেন। একটি ঘরে বৃদ্ধা শাশুড়ি, ২২ বছরের প্রতিবন্ধী ছেলে ও কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে থাকতে হয়। বৃষ্টি হলে টিনের চাল দিয়ে জল পড়ে। উপরে কোনওরকম প্লাস্টিক দিয়ে বসবাস করছি। আমাদেরও আগের তালিকায় নাম ছিল। কিন্তু, এবার আর নাম নেই। সরকারের কাছে আবেদন করেছি, আমাদের মতো পরিবারকে যেন আবাস দেওয়া হয়।
মাজদিয়া পানশিলা পঞ্চায়েতের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সুরজ চৌধুরী বলেন, এই গ্রামে দু’-একটি পরিবার ছাড়া যারা বাড়ি পাওয়ার যোগ্য তারা পেয়েছে। দু’টি পরিবারের পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও আবাস তালিকায় নাম রয়েছে। যারা তালিকা তৈরি করেছে, তারা সঠিক তদন্ত করেনি। বিষয়টি আমরা বিডিও সাহেবকে জানিয়েছি। যে সব পরিবার বাড়ি পাওয়ার যোগ্য তাদের ব্লক অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
ফরেস্টডাঙা গ্রামের বাসিন্দা হরকুমার রায় বলেন, যে দু’টি পরিবারের পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও তালিকায় নাম উঠেছে, তাদের নাম বাদ দেওয়া হোক। আর যাদের দরকার, তারা বাড়ি পাক।
ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, আবাস নিয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে ব্লক ও পঞ্চায়েত অফিসে অভিযোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত হবে। যদি অভিযোগ সত্যি হয়, তাহলে তার নাম অবশ্যই বাদ যাবে।
স্থানীয় বাসিন্দা বিমল চৌধুরী বলেন, টিনের চালের পাটকাঠি ও দরমার ঘরে থাকি। বৃষ্টির মধ্যে খুব অসুবিধা হয়। আগের তালিকায় আমাদের নাম ছিল। আধিকারিকরা বলেছিলেন ঘর পাব। কিন্তু, বর্তমান তালিকায় নাম নেই। কেন এমন হল জানি না। কেউ তদন্ত করতেও আসেনি।
শিপ্রা রায় বলেন, আমার স্বামী নিমাই রায় রাস্তায় রাস্তায় ঘটি গরম বিক্রি করেন। একটি ঘরে বৃদ্ধা শাশুড়ি, ২২ বছরের প্রতিবন্ধী ছেলে ও কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে থাকতে হয়। বৃষ্টি হলে টিনের চাল দিয়ে জল পড়ে। উপরে কোনওরকম প্লাস্টিক দিয়ে বসবাস করছি। আমাদেরও আগের তালিকায় নাম ছিল। কিন্তু, এবার আর নাম নেই। সরকারের কাছে আবেদন করেছি, আমাদের মতো পরিবারকে যেন আবাস দেওয়া হয়।
মাজদিয়া পানশিলা পঞ্চায়েতের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সুরজ চৌধুরী বলেন, এই গ্রামে দু’-একটি পরিবার ছাড়া যারা বাড়ি পাওয়ার যোগ্য তারা পেয়েছে। দু’টি পরিবারের পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও আবাস তালিকায় নাম রয়েছে। যারা তালিকা তৈরি করেছে, তারা সঠিক তদন্ত করেনি। বিষয়টি আমরা বিডিও সাহেবকে জানিয়েছি। যে সব পরিবার বাড়ি পাওয়ার যোগ্য তাদের ব্লক অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
ফরেস্টডাঙা গ্রামের বাসিন্দা হরকুমার রায় বলেন, যে দু’টি পরিবারের পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও তালিকায় নাম উঠেছে, তাদের নাম বাদ দেওয়া হোক। আর যাদের দরকার, তারা বাড়ি পাক।
ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, আবাস নিয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে ব্লক ও পঞ্চায়েত অফিসে অভিযোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত হবে। যদি অভিযোগ সত্যি হয়, তাহলে তার নাম অবশ্যই বাদ যাবে।



