সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: রয়েছে শিক্ষার পরিবেশ, পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ। রয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষিকাও। তা সত্ত্বেও নবদ্বীপের অন্যতম প্রাচীন বঙ্গবাণী আরবান জুনিয়র বেসিক স্কুলের একটাই সমস্যা, যাতায়াতের কোনও রাস্তা নেই। সেকারণে প্রতিদিনই ফাঁকা মাঠ দিয়ে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অভিভাবকদের স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। বর্ষার সময় জল-কাদা পেরিয়ে স্কুলে আসতে সমস্যায় পড়তে হয়। ছাত্রছাত্রীরা সেইসময় স্কুলেই আসতে পারে না। ফলে তাদের পঠনপাঠনে সমস্যা হয়। বঙ্গবাণী রোড থেকে স্কুলে আসার জন্য প্রায় ৩০০মিটার কংক্রিটের রাস্তা তৈরির দাবি উঠেছে। রাস্তার ব্যাপারে বারবার স্কুলের তরফে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তারা বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছে।
Advertisement
নবদ্বীপ শ্রীঅরবিন্দ সরণি, প্রতাপনগর এলাকায় প্রায় ৭০বছরের প্রাচীন বঙ্গবাণী আরবান জুনিয়র বেসিক স্কুল। প্রাক প্রাইমারি থেকে শুরু করে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পঠনপাঠনের হয়। তিনজন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন। তবে ছাত্র সংখ্যা মাত্র ৩০। স্থানীয় বঙ্গবাণী কলোনির বাসিন্দা মিঠু রাজবংশী বলেন, আমার ছোট ছেলে এই স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ছোটবেলা থেকে অসুস্থ হওয়ায় একটা পায়ে কোনও জোর পায় না। ওকে প্রতিদিনই কোলে করে নিয়ে আসতে হয়। বর্ষার সময় এই রাস্তায় জলকাদা থাকে। সেসময় অসহায় লাগে।
স্কুলের শিক্ষক কৌশিক বিশ্বাস জানান, এই স্কুলে ১৮ বছর ধরে শিক্ষকতা করছি। আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচ বিঘা সম্পত্তি আছে। কিন্তু ওই জায়গা কোনও ডিমার্কেশন করা নেই। আগে এতটা কাদা হতো না। এখন মাটির রাস্তার উপর দিয়ে ট্র্যাক্টর ও ছোট গাড়ি যাতায়াত করায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। রাস্তার সমস্যার কথা নবদ্বীপ পুরসভায় জানানো হয়েছে।
শিক্ষিকা টুসি সাধুখাঁ জানান, স্কুলটি শহর থেকে অনেকটা ভিতরে। নির্দিষ্ট কিছু এলাকার ছেলে-মেয়েরা এখানে পড়াশোনা করে। বর্ষার সময় একদম যাতায়াত করতে পারে না। স্কুলের প্রধান শিক্ষক গৌরাঙ্গ শীল বলেন, আমি এক বছর আগে এই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়েছি। এর আগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকও বিষয়টি লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন। বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলারকেও জানানো হয়েছে। আমাদের দাবি, অন্ততপক্ষে স্কুলে যাতায়াতের জন্য দু’-তিন ফুট চওড়া একটি কংক্রিটের রাস্তা তৈরি করে দেওয়া হোক। রাস্তা না থাকায় এখন বর্ষার সময় উপস্থিতির হার কমে যায়।
পুরসভার ৫নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ঝন্টুলাল দাস বলেন, স্কুলের শিক্ষকরা রাস্তার বিষয়টি জানিয়েছেন। পুরসভার চেয়ারম্যানকে তা জানানো হয়েছে। তবে রাস্তাটি নিয়ে কিছু সমস্যা আছে। শীঘ্রই যাতে রাস্তাটি হয় সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্কুলের শিক্ষক কৌশিক বিশ্বাস জানান, এই স্কুলে ১৮ বছর ধরে শিক্ষকতা করছি। আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচ বিঘা সম্পত্তি আছে। কিন্তু ওই জায়গা কোনও ডিমার্কেশন করা নেই। আগে এতটা কাদা হতো না। এখন মাটির রাস্তার উপর দিয়ে ট্র্যাক্টর ও ছোট গাড়ি যাতায়াত করায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। রাস্তার সমস্যার কথা নবদ্বীপ পুরসভায় জানানো হয়েছে।
শিক্ষিকা টুসি সাধুখাঁ জানান, স্কুলটি শহর থেকে অনেকটা ভিতরে। নির্দিষ্ট কিছু এলাকার ছেলে-মেয়েরা এখানে পড়াশোনা করে। বর্ষার সময় একদম যাতায়াত করতে পারে না। স্কুলের প্রধান শিক্ষক গৌরাঙ্গ শীল বলেন, আমি এক বছর আগে এই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়েছি। এর আগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকও বিষয়টি লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন। বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলারকেও জানানো হয়েছে। আমাদের দাবি, অন্ততপক্ষে স্কুলে যাতায়াতের জন্য দু’-তিন ফুট চওড়া একটি কংক্রিটের রাস্তা তৈরি করে দেওয়া হোক। রাস্তা না থাকায় এখন বর্ষার সময় উপস্থিতির হার কমে যায়।
পুরসভার ৫নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ঝন্টুলাল দাস বলেন, স্কুলের শিক্ষকরা রাস্তার বিষয়টি জানিয়েছেন। পুরসভার চেয়ারম্যানকে তা জানানো হয়েছে। তবে রাস্তাটি নিয়ে কিছু সমস্যা আছে। শীঘ্রই যাতে রাস্তাটি হয় সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।



