সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: রবিবার থেকে নবদ্বীপের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী শ্রীশ্রী রাধা মদনমোহন জিউ মন্দিরে গুরুনির্য্যাণ মহামহোৎসব শুরু হল। এবার এই উৎসব ৯৩ তম বর্ষে পড়ল। এদিন নগর সংকীর্তন সহকারে ধামেশ্বর গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর আদেশ প্রার্থনা করা হয়। সেই সঙ্গে রাধামদনমোহন জিউর বিশেষ পুজো অধিবাসের মধ্যে দিয়ে গুরুনির্য্যাণ মহোৎসব শুরু হল। রাসপূর্ণিমার পর কৃষ্ণাদ্বিতীয়া তিথি থেকে ১১ দিনব্যাপী এই উৎসব চলবে। এই অনুষ্ঠানে গৌরলীলা, রামলীলা এবং কৃষ্ণলীলা কীর্তন এবং ভাগবত পাঠ, নামকীর্তন, ভক্তিগীতি অনুষ্ঠিত হবে। ১৭ থেকে ২৭ নভেম্বর মোট ১১ দিন ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজনের করা হয়েছে।
Advertisement
রাধা মদনমোহন জিউ মন্দিরের বর্তমান সেবায়েত নিত্যগোপাল গোস্বামী বলেন, রবিবার থেকে ১১দিন ব্যাপী অখণ্ড কীর্তনাদি ভক্তিমূলক কার্যক্রম হতে চলেছে। তার মধ্যে প্রতিদিন গৌরলীলা, কৃষ্ণলীলা, রামলীলা, ভাগবত প্রবচন, নাম সংকীর্তন, নগরকীর্তন, প্রসাদ বিতরণ প্রভৃতি অনুষ্ঠিত হবে।
তথ্য সূত্র অনুসারে বাংলার ঐতিহ্য পদাবলী কীর্তনের বিশুদ্ধতা রক্ষার জন্য প্রভু প্রাণগোপাল স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ও আরও কীর্তন অনুরাগীদের নিয়ে আনুমানিক ১৯২০ সাল নাগাদ তাঁর মদনমোহন মন্দিরে এই মহোৎসবের সূচনা করেন। উদ্যোক্তাবৃন্দের সুযোগ সুবিধা মতো বছরের বিভিন্ন সময়ে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। তবে এই উৎসবকে স্থায়ী রূপ দান করার জন্য প্রভু প্রাণগোপাল তাঁর গুরুমা সারদা সুন্দরীদেবীর তিরোধান তিথিকে বেছে নেন। কীর্তনের সঙ্গে আরো কিছু ভক্তিঅঙ্গ যুক্ত করে উৎসবের নামকরণ করেন শ্রীশ্রী গুরুনির্য্যাণ মহামহোৎসব। এবার এই উৎসব ৯৩ তম বর্ষে পড়ল। প্রভু প্রাণগোপালের চতুর্থ প্রজন্ম বর্তমানে এই উৎসব পরিচালনা করছেন।
তথ্য সূত্র অনুসারে বাংলার ঐতিহ্য পদাবলী কীর্তনের বিশুদ্ধতা রক্ষার জন্য প্রভু প্রাণগোপাল স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ও আরও কীর্তন অনুরাগীদের নিয়ে আনুমানিক ১৯২০ সাল নাগাদ তাঁর মদনমোহন মন্দিরে এই মহোৎসবের সূচনা করেন। উদ্যোক্তাবৃন্দের সুযোগ সুবিধা মতো বছরের বিভিন্ন সময়ে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। তবে এই উৎসবকে স্থায়ী রূপ দান করার জন্য প্রভু প্রাণগোপাল তাঁর গুরুমা সারদা সুন্দরীদেবীর তিরোধান তিথিকে বেছে নেন। কীর্তনের সঙ্গে আরো কিছু ভক্তিঅঙ্গ যুক্ত করে উৎসবের নামকরণ করেন শ্রীশ্রী গুরুনির্য্যাণ মহামহোৎসব। এবার এই উৎসব ৯৩ তম বর্ষে পড়ল। প্রভু প্রাণগোপালের চতুর্থ প্রজন্ম বর্তমানে এই উৎসব পরিচালনা করছেন।



