সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: দিনের বেলায় রাসের প্রতিমা শোভাযাত্রার সময়সীমা এবারও বেঁধে দিল প্রশাসন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রাসের প্রতিমা শোভাযাত্রা (আড়ং) বের করতে হবে। পাশাপাশি সন্ধ্যের সময় আলোকসজ্জায় সুসজ্জিত হয়ে যেসব প্রতিমা বের হয়, তাদের আড়ংও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বেরতে হবে।
Advertisement
শুক্রবার সন্ধ্যায় নবদ্বীপ থানা সভাকক্ষে পুলিস প্রশাসন, পুরসভার চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় রাস উৎসব কমিটি, দিনের বেলায় যেসব প্রতিমা বের হয় সেইসব পুজো কমিটির কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভাতেই দুপুরের শোভাযাত্রার বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথা আবার জানানো হয়।
নবদ্বীপের ঐতিহ্যপূর্ণ জোড়াবাঘ গৌরাঙ্গিনী মাতা, নবদ্বীপের রাস উৎসবে এই একটি মাত্র রাসের প্রতিমা, বেহারাদের কাঁধে চেপে বিসর্জন শোভাযাত্রায় যান। প্রথা মেনে এই দেবীর বিশেষ শোভাযাত্রা সাঙকে ঘিরে উৎসাহ উদ্দীপনা থাকে স্থানীয় বাসিন্দা ও বাইরে থেকে আসা দর্শনার্থীদের মধ্যে। পুজো কমিটির সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারও দুপুর ১টায় সময় এই প্রতিমা দিনের বেলায় শোভাযাত্রায় (আড়ং) বের হবে।
উল্লেখ্য, যোগনাথতলা গৌরাঙ্গিনী মাতা বেহারাদের কাঁধে চেপে মণ্ডপ থেকে বের হন। সেখান থেকে পোড়ামাতলা, ঢপওয়ালির মোড়, রাধাবাজার হয়ে দণ্ডপাণিতলা মোড় পর্যন্ত প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে আবার ঘুরে এসে পিরতলার খালে গিয়ে গৌরাঙ্গিনী মাতাকে বিসর্জন দেওয়া হয়।
শোভাযাত্রার দিন সকালের দিকে নানা রকমের ট্যাবলো ও বাদ্যযন্ত্র সহকারে প্রথমে পোড়ামাতলার প্রাচীনতম কংসবণিকদের কাঁসারী কালী অর্থাৎ বড় ঠাকরুণ, হরিসভাপাড়ার ভদ্রকালী, পাকাটোল রোডের সিংহবাহিনী, ওলাদেবীতলার মুক্তকেশী মাতা, চারিচারা বাজারের ভদ্রকালী এবং বড় বাজারের রাজ গণেশ বের হবে। তবে বিকালের মধ্যে সেই সব প্রতিমার কোনওটি বিসর্জন দেওয়া হবে, আবার কোনওটি মণ্ডপে এনে রেখে দেওয়া হবে।
শোভাযাত্রার পথে অনেকসময়ই বিভিন্ন পুজো কমিটির প্যান্ডেল, লাইট গেট বা কোন কেবল লাইনের জন্য সমস্যার সৃষ্টি হয়। এদিন পুজো কমিটির সদস্যদের ডেকে বলে দেওয়া হয়েছে শোভাযাত্রার আগেই সেই সব সমস্যা দূর করতে হবে।
নবদ্বীপ কেন্দ্রীয় রাস উৎসব কমিটির সভাপতি তথা পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা এদিন গৌরাঙ্গিনী মাতা বারোয়ারি কমিটির উদ্দেশে বলেন, এই আধুনিক যুগেও এখনও পুরনো প্রথা মেনে বেহারা দিয়ে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া রীতি চলছে। এ বিষয়ে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবনা চিন্তা করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে কমিটিকে লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করতে অনুরোধ করছি।
নবদ্বীপ থানার আইসি জলেশ্বর তেওয়ারি বলেন, যেসব বারোয়ারি দিনের বেলা প্রতিমা নিয়ে বের হয়, প্রশাসন তাদের ডেকে নির্দিষ্ট টাইম টেবিল জানিয়ে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১৫ নভেম্বর, শুক্রবার নবদ্বীপের রাসযাত্রা উৎসব। পরের দিন ১৬ নভেম্বর শনিবার মূলত সন্ধ্যে থেকে এই শোভাযাত্রা বা আড়ং হয়। তবে দিনের বেলায় বেশ কিছু ঐতিহ্যবাহী প্রতিমা শোভাযাত্রায় বের হয়। এ বছরও সাতটি প্রতিমা বের হবে।
নবদ্বীপের ঐতিহ্যপূর্ণ জোড়াবাঘ গৌরাঙ্গিনী মাতা, নবদ্বীপের রাস উৎসবে এই একটি মাত্র রাসের প্রতিমা, বেহারাদের কাঁধে চেপে বিসর্জন শোভাযাত্রায় যান। প্রথা মেনে এই দেবীর বিশেষ শোভাযাত্রা সাঙকে ঘিরে উৎসাহ উদ্দীপনা থাকে স্থানীয় বাসিন্দা ও বাইরে থেকে আসা দর্শনার্থীদের মধ্যে। পুজো কমিটির সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারও দুপুর ১টায় সময় এই প্রতিমা দিনের বেলায় শোভাযাত্রায় (আড়ং) বের হবে।
উল্লেখ্য, যোগনাথতলা গৌরাঙ্গিনী মাতা বেহারাদের কাঁধে চেপে মণ্ডপ থেকে বের হন। সেখান থেকে পোড়ামাতলা, ঢপওয়ালির মোড়, রাধাবাজার হয়ে দণ্ডপাণিতলা মোড় পর্যন্ত প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে আবার ঘুরে এসে পিরতলার খালে গিয়ে গৌরাঙ্গিনী মাতাকে বিসর্জন দেওয়া হয়।
শোভাযাত্রার দিন সকালের দিকে নানা রকমের ট্যাবলো ও বাদ্যযন্ত্র সহকারে প্রথমে পোড়ামাতলার প্রাচীনতম কংসবণিকদের কাঁসারী কালী অর্থাৎ বড় ঠাকরুণ, হরিসভাপাড়ার ভদ্রকালী, পাকাটোল রোডের সিংহবাহিনী, ওলাদেবীতলার মুক্তকেশী মাতা, চারিচারা বাজারের ভদ্রকালী এবং বড় বাজারের রাজ গণেশ বের হবে। তবে বিকালের মধ্যে সেই সব প্রতিমার কোনওটি বিসর্জন দেওয়া হবে, আবার কোনওটি মণ্ডপে এনে রেখে দেওয়া হবে।
শোভাযাত্রার পথে অনেকসময়ই বিভিন্ন পুজো কমিটির প্যান্ডেল, লাইট গেট বা কোন কেবল লাইনের জন্য সমস্যার সৃষ্টি হয়। এদিন পুজো কমিটির সদস্যদের ডেকে বলে দেওয়া হয়েছে শোভাযাত্রার আগেই সেই সব সমস্যা দূর করতে হবে।
নবদ্বীপ কেন্দ্রীয় রাস উৎসব কমিটির সভাপতি তথা পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা এদিন গৌরাঙ্গিনী মাতা বারোয়ারি কমিটির উদ্দেশে বলেন, এই আধুনিক যুগেও এখনও পুরনো প্রথা মেনে বেহারা দিয়ে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া রীতি চলছে। এ বিষয়ে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবনা চিন্তা করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে কমিটিকে লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করতে অনুরোধ করছি।
নবদ্বীপ থানার আইসি জলেশ্বর তেওয়ারি বলেন, যেসব বারোয়ারি দিনের বেলা প্রতিমা নিয়ে বের হয়, প্রশাসন তাদের ডেকে নির্দিষ্ট টাইম টেবিল জানিয়ে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১৫ নভেম্বর, শুক্রবার নবদ্বীপের রাসযাত্রা উৎসব। পরের দিন ১৬ নভেম্বর শনিবার মূলত সন্ধ্যে থেকে এই শোভাযাত্রা বা আড়ং হয়। তবে দিনের বেলায় বেশ কিছু ঐতিহ্যবাহী প্রতিমা শোভাযাত্রায় বের হয়। এ বছরও সাতটি প্রতিমা বের হবে।



