সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের উৎসাহিত করতে নবদ্বীপ পঞ্চায়েত সমিতি বিশেষ উদ্যোগ নিল। ভালো কাজ করা, আর্থিক লেনদেনের খাতাপত্র ঠিকঠাক রাখার ভিত্তিতে একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে বেছে নিয়ে সমিতির নিজস্ব ভবনে খাবারের ক্যান্টিন চালু করতে দেওয়া হয়েছে। সেখানে তাঁরা সুলভে চা, কফি, রুটি, ঘুগনি ও বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার বিক্রি করছেন। এই ক্যান্টিন চালিয়ে লাভের মুখ দেখছেন ওই মহিলারা।
Advertisement
নবদ্বীপের মহেশগঞ্জে বিডিও অফিস চত্বরেই পঞ্চায়েত সমিতির অফিস রয়েছে। ব্লকের ফকিরডাঙা-ঘোলাপাড়া, মাজদিয়া-পানশিলা, মায়াপুর-বামুনপুকুর ১ ও ২, মহিশুরা, বাবলারি, চরমাজদিয়া-চরব্রহ্মনগর ও স্বরূপগঞ্জ পঞ্চায়েত থেকে প্রতিদিন বহু মানুষ বিডিও অফিসে আসেন। ওই চত্বরে শ্রম, প্রাণিসম্পদ বিকাশ, কৃষি, মৎস্য, খাদ্য সরবরাহ, যুবকল্যাণ ও ভূমি ও ভূমিসংস্কার দপ্তরের অফিস রয়েছে। সেইসঙ্গে বিদ্যালয় পরিদর্শকের অফিস ও পুলিস ফাঁড়িও আছে। নানা কাজে আসা মানুষকে দিনের অনেকটা সময়ই বিডিও অফিস চত্বরে কাটাতে হয়। ক্যান্টিন চালু হওয়ায় তাঁরা যেমন সুলভে খাবার পাচ্ছেন, তেমনি এই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যারা লাভের মুখ দেখছেন। পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি তাপস ঘোষ বলেন, ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে তারকনাথ স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ১০জন মহিলাকে নিয়ে এই ক্যান্টিন শুরু হয়েছে। সমিতির তরফে ওই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের ঘরের পরিকাঠামো তৈরি করে দেওয়া হয়। সেখানেই তাঁরা নানা খাবার বিক্রি করছেন। ওই গোষ্ঠীর সদস্যারা যদি ভালোভাবে ক্যান্টিন চালাতে পারেন, তাহলে আগামী দিনে পঞ্চায়েত সমিতির তরফে তাঁদের আরও সাহায্য করা হবে।
নবদ্বীপের বিডিও মনীশ নন্দী বলেন, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ক্যান্টিনটি অল্পদিনের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এভাবে সঠিক পদ্ধতিতে যদি তাঁরা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসা চালাতে পারেন, তবে সেটিকে ‘খাদ্যছায়া’ ক্যান্টিনে উন্নীত করার সমস্তরকম ব্যবস্থা করা হবে।
স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সম্পাদিকা পলি দাস বলেন, এতদিন আমরা যে যার মতো ব্যবসা করেছি। এবার সবাই মিলে ক্যান্টিন চালানোর অনুভূতি অন্যরকম। বিভিন্ন কাজে এখানে আসা মানুষের পাশাপাশি নানা সরকারি অফিসের কর্মীরাও এখানে খাওয়াদাওয়া করছেন। রোজগারের পথ খুঁজে পেয়ে আমরা খুশি।
নবদ্বীপের বিডিও মনীশ নন্দী বলেন, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ক্যান্টিনটি অল্পদিনের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এভাবে সঠিক পদ্ধতিতে যদি তাঁরা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসা চালাতে পারেন, তবে সেটিকে ‘খাদ্যছায়া’ ক্যান্টিনে উন্নীত করার সমস্তরকম ব্যবস্থা করা হবে।
স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সম্পাদিকা পলি দাস বলেন, এতদিন আমরা যে যার মতো ব্যবসা করেছি। এবার সবাই মিলে ক্যান্টিন চালানোর অনুভূতি অন্যরকম। বিভিন্ন কাজে এখানে আসা মানুষের পাশাপাশি নানা সরকারি অফিসের কর্মীরাও এখানে খাওয়াদাওয়া করছেন। রোজগারের পথ খুঁজে পেয়ে আমরা খুশি।



