সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: আরজি করের ঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত হাসপাতালের নিরাপত্তা বাড়াতে ‘রাত্রীর সাথী’ প্রকল্প গ্রহণ করেছিল রাজ্য সরকার। এবার সেই প্রকল্পের সুফল মিলছে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা রাতে কর্মরত অবস্থায় যাতে নিরাপদে বিশ্রাম নিতে পারেন, এই প্রকল্পে তার সুব্যবস্থা হচ্ছে। সেজন্য সংযুক্ত শৌচাগার সহ বিশ্রামঘর তৈরি শুরু হয়েছে। এতে প্রায় ২১ লক্ষ টাকা খরচ হচ্ছে।
Advertisement
এছাড়া, সরকারি বরাদ্দে ওই বিশ্রামঘরের পাশেই রোগীদের জন্য একটি রিকভারি রুম তৈরি করা হচ্ছে। অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হওয়া রোগীদের সেখানে কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। তারপর তাঁদের বেডে পাঠানো বা ছুটি দেওয়া যাবে।
এই রুমে একসঙ্গে আট-দশজন রোগী থাকতে পারবেন। কয়েকদিন আগেই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি কাজ শেষ হয়ে যাবে। নদীয়া জেলায় নবদ্বীপের পাশাপাশি রানাঘাটে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। হাসপাতাল সুপার অনঘ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখানে ডাক্তার ও নার্সদের রেস্টরুমের অভাব ছিল। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সেটি তৈরি করা হচ্ছে। এতে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। রোগীদের অস্ত্রোপচারের পর কিছু সময়ের জন্য পোস্ট-অপারেশন রিকভারি রুমে রাখা হবে।
১২৫ শয্যাবিশিষ্ট নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতাল। প্রতিদিন গড়ে ১৭৫-১৮০জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। এছাড়া, আউটডোরে নবদ্বীপ ব্লকের কয়েকশো মানুষ ভিড় করেন। এছাড়া, পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী, পাটুলি, লক্ষ্মীপুর, বেলেরহল্ট, বিদ্যানগর, নাদনঘাট এলাকার বহু মানুষ চিকিৎসার জন্য এই হাসপাতালের উপর নির্ভর করেন। সবমিলিয়ে, প্রতিদিন প্রায় একহাজার মানুষ এখানে চিকিৎসা পরিষেবা নেন। হাসপাতালের সিস্টার ইনচার্জ সন্দীপা দেবনাথ ও বৈশাখী ঘোষ বলেন, দিনরাত ডিউটি করতে হয়। রোগীদের যে কোনও সময় সাহায্যের দরকার পড়তে পারে। তাই একটি বিশ্রামকক্ষ থাকলে আমাদের কাজে সুবিধা হবে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ।
স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ কল্লোল মল্লিক বলেন, আমাদের তো ২৪ ঘণ্টা ডিউটি থাকে। সবসময় লেবার রুম বা ওটিতে থাকতে হয়। কারণ, যখন তখন কল বুক হতে পারে, রোগী আসতে পারে। তাই একটা রেস্টরুমের খুবই দরকার ছিল। এছাড়া, অস্ত্রোপচারের পর রোগীদের রিকভারি রুমে রেখে পর্যবেক্ষণে সুবিধা হবে। কোনও রোগী পুরোপুরি সুস্থ হলে সেখান থেকেই ছুটি দিয়ে দেওয়া যাবে।
এই রুমে একসঙ্গে আট-দশজন রোগী থাকতে পারবেন। কয়েকদিন আগেই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি কাজ শেষ হয়ে যাবে। নদীয়া জেলায় নবদ্বীপের পাশাপাশি রানাঘাটে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। হাসপাতাল সুপার অনঘ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখানে ডাক্তার ও নার্সদের রেস্টরুমের অভাব ছিল। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সেটি তৈরি করা হচ্ছে। এতে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। রোগীদের অস্ত্রোপচারের পর কিছু সময়ের জন্য পোস্ট-অপারেশন রিকভারি রুমে রাখা হবে।
১২৫ শয্যাবিশিষ্ট নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতাল। প্রতিদিন গড়ে ১৭৫-১৮০জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। এছাড়া, আউটডোরে নবদ্বীপ ব্লকের কয়েকশো মানুষ ভিড় করেন। এছাড়া, পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী, পাটুলি, লক্ষ্মীপুর, বেলেরহল্ট, বিদ্যানগর, নাদনঘাট এলাকার বহু মানুষ চিকিৎসার জন্য এই হাসপাতালের উপর নির্ভর করেন। সবমিলিয়ে, প্রতিদিন প্রায় একহাজার মানুষ এখানে চিকিৎসা পরিষেবা নেন। হাসপাতালের সিস্টার ইনচার্জ সন্দীপা দেবনাথ ও বৈশাখী ঘোষ বলেন, দিনরাত ডিউটি করতে হয়। রোগীদের যে কোনও সময় সাহায্যের দরকার পড়তে পারে। তাই একটি বিশ্রামকক্ষ থাকলে আমাদের কাজে সুবিধা হবে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ।
স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ কল্লোল মল্লিক বলেন, আমাদের তো ২৪ ঘণ্টা ডিউটি থাকে। সবসময় লেবার রুম বা ওটিতে থাকতে হয়। কারণ, যখন তখন কল বুক হতে পারে, রোগী আসতে পারে। তাই একটা রেস্টরুমের খুবই দরকার ছিল। এছাড়া, অস্ত্রোপচারের পর রোগীদের রিকভারি রুমে রেখে পর্যবেক্ষণে সুবিধা হবে। কোনও রোগী পুরোপুরি সুস্থ হলে সেখান থেকেই ছুটি দিয়ে দেওয়া যাবে।



