সংবাদদাতা,নবদ্বীপ: মোটরবাইকে তেল ভরতে বেরিয়ে একটি চারচাকা গাড়ির সঙ্গে বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দু’জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় নবদ্বীপ থানার কানাইনগর বটতলা পেট্রল পাম্পের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত উজ্জ্বল ভাদুড়ি (২৮) ও অরূপ সেনের (১৬) বাড়ি মুকুন্দপুরে। বৃহস্পতিবার শক্তিনগর গ্রামীণ হাসপাতালে দু’টি দেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। ঘটনায় শোকস্তব্ধ মৃতদের আত্মীয়রা। মুকুন্দপুরের বাসিন্দা অরূপ নবদ্বীপ হিন্দু স্কুলে দশম শ্রেণিতে পড়ত। তার বাবা অসীম সেন দিনমজুর। মা-বাবা ও অষ্টম শ্রেণিতে পড়া বোনকে নিয়ে টিনের একটি ঘরে থাকত অরূপ। সেই বাড়ির উল্টোদিকেই বাড়ি উজ্জ্বল ভাদুড়ির। তাঁর বাবা তেঁতুল ভাদুড়ির মুকুন্দপুর বাজারের কাছে চায়ের দোকান আছে।
Advertisement
অরূপের মা রূপা সেন বলেন, মুকুন্দপুর মোড়ে গোডাউনের সামনে সরস্বতী পুজো হয়েছিল। ছেলে ঠাকুর বিসর্জনে যাওয়ার বায়না ধরেছিল। সন্ধ্যার সময় উজ্জ্বল ওকে ডেকে নিয়ে যায়। ওকে বলেছিল, পাম্প থেকে তেল নিয়ে আসবে। ছেলেকে নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন ছিল। অরূপের বোন অর্পিতা বলে, আমি ওদের বলেছিলাম, সাবধানে যেও। বাইক আস্তে চালাতে বলেছিলাম। কিন্তু কোথা থেকে কী হয়ে গেল! বুধবার সন্ধ্যায় উজ্জ্বল আর অরূপ মোটরবাইক নিয়ে বের হয়। কানাইনগর বটতলা পেট্রল পাম্পের কাছে একটি চারচাকা গাড়ির সঙ্গে তাদের বাইকের সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে নবদ্বীপ থানার পুলিস ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয়। জখম দু’জনকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মৃত উজ্জ্বলের স্ত্রী তাপসী ভাদুড়ি বলেন, আমাদের ন’মাসের মেয়ে আছে। আমাকে শুধু বলে গেল, রাত ১০টার মধ্যে বাড়ি চলে আসবে। কিন্তু তা আর হল না। অতিরিক্ত পুলিস সুপার(গ্রামীণ) উত্তম ঘোষ বলেন, যেখানে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, আমরা সেখানে পথনিরাপত্তার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য শিবির করব। ওই এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
মৃত উজ্জ্বলের স্ত্রী তাপসী ভাদুড়ি বলেন, আমাদের ন’মাসের মেয়ে আছে। আমাকে শুধু বলে গেল, রাত ১০টার মধ্যে বাড়ি চলে আসবে। কিন্তু তা আর হল না। অতিরিক্ত পুলিস সুপার(গ্রামীণ) উত্তম ঘোষ বলেন, যেখানে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, আমরা সেখানে পথনিরাপত্তার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য শিবির করব। ওই এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।



