সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: যাত্রী সাধারণের কথা ভেবে নবদ্বীপ শহরের বাসস্ট্যান্ড নবরূপে সেজে উঠছে। দীর্ঘদিনের দাবি মেনে এই বাসস্ট্যান্ডকে সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে নবদ্বীপ পুরসভা। কিন্তু বাসস্ট্যান্ডের কাজ শুরু হলেও কাজ ঢিমেতালে চলার অভিযোগ উঠেছে। ফলে ক্ষুব্ধ বাসযাত্রী, স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে বাসস্ট্যান্ডের কর্মীরাও। নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা বলেন, স্থানীয় ফেস্টিভ্যাল থাকায় এই কাজ কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। তবে এই কাজ দ্রুত শুরু হয়ে যাবে।
Advertisement
জানা গিয়েছে, রাজ্যের পরিবহণ দপ্তর থেকে প্রায় ২ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকার অনুমোদন মিলেছে নবদ্বীপের বাসস্ট্যান্ড তৈরির কাজে। অভিযোগ, প্রায় গত ২৫ দিন যাবৎ এই কাজ বন্ধ রয়েছে। চলতি বছরে ৭ ফেব্রুয়ারি ভার্চুয়ালি এই বাসস্ট্যান্ডের কাজের সুচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে পরিবহণ দপ্তরের অর্থানুকূল্যে এই বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী পরিষেবার সমস্ত রকম ব্যবস্থা থাকবে। এই বাসস্ট্যান্ডে তৈরি করা হবে একটি গেস্ট হাউস। একাধিক নতুন শেড তৈরির পাশাপাশি যাত্রীদের বসার জন্য ওয়েটিং রুম, সুলভ শৌচালয়, গাড়ি ধোয়ার ওয়াশ প্ল্যাটফর্ম। সম্পূর্ণ আধুনিক পরিকল্পনায় গড়ে তোলা হবে এই বাসস্ট্যান্ডটি। এছাড়া উন্নতমানের লাইটিং-এ সাজিয়ে তোলা হবে বাসস্ট্যান্ড চত্বর।
নবদ্বীপ ধাম স্টেশন রোড সংলগ্ন এলাকায় শহরের এই একমাত্র বাসস্ট্যান্ড। এই বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন ভোর থেকে রাত পর্যন্ত বর্ধমান, বাঁকুড়া, দুর্গাপুর, কালনা, কাটোয়া ছাড়াও উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি, বালুরঘাট, কোচবিহার সহ বিভিন্ন রুটের শতাধিক বাস চলাচল করে। নবদ্বীপ থেকে কৃষ্ণনগরের মধ্যে বেশকিছু স্থানীয় বাসও যাতায়াত করে। কিন্তু বেশ কয়েক বছর ধরে এই বাসস্ট্যান্ডের অবস্থা বেহাল। বাসস্ট্যান্ড জুড়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত ।
এমনকী ইট, খোয়া, পাথর বেরিয়ে গিয়েছে। কোনও গাড়ি চলাচল করলে ধুলোয় ভরে যায় এই বাসস্ট্যান্ড চত্বর। বাসস্ট্যান্ডের কর্মীরা প্রতিদিনই পাইপ দিয়ে জল দেন, যাতে ধুলো না ওড়ে। বাসস্ট্যান্ডের এই অব্যবস্থা দেখে নবদ্বীপ, মায়াপুরে ঘুরতে আসা মানুষজন বিরক্ত।
নবদ্বীপ-কোচবিহার, নবদ্বীপ-শিলিগুড়ি গাড়ির ম্যানেজার রানা বর্ধন বলেন, নবদ্বীপ বাসস্ট্যান্ডের কাজটা খুবই তাড়াতাড়ি শেষ করার দরকার। কিন্তু এই কাজটা খুবই ঢিমেতালে চলছে। স্থানীয় পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা এবং বিধায়ক পুণ্ডরীকাক্ষ সাহার উদ্যোগে এই কাজটা শুরু হয়েছে। কিন্তু কাজ খুব ধীরগতিতে হচ্ছে।
বাস মালিক মনোজিৎ বসাক বলেন, আমার নবদ্বীপ থেকে বর্ধমান, কালনা, পান্ডুয়া রুটের মধ্যে তিনটি গাড়ি চলে। দীর্ঘদিন পর বাসস্ট্যান্ডের কাজ শুরু হয়েছিল। আমরা খুশি হয়েছিলাম। এই বাসস্ট্যান্ডে কাজ শুরু হয়েছিল এপ্রিল মাসে। দেখতে দেখতে ৮ মাস হয়ে গেল।
স্থানীয় অন্নপূর্ণাতলার বাসিন্দা অপর্ণা দাস বলেন, এই বাসস্ট্যান্ডের পরিস্থিতি খুব খারাপ। বৃষ্টি হলে জল জমে যায়। দ্রুত বাসস্ট্যান্ডের কাজ শেষ করা উচিত।
নদীয়া জেলা বাস পরিবহণ কর্মী ইউনিয়নের নবদ্বীপ বাসস্ট্যান্ডের সম্পাদক সুজিত সরকার বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বাসস্ট্যান্ডের পরিস্থিতি খুব খারাপ। এবছর ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেছিলেন। এপ্রিল মাস থেকে কাজ শুরু হয়। এতদিনে পাঁচটা শেডের কাজ হয়েছে। শেডগুলি ঢালাই হয়েছে। ঢালাই করার পরে বাঁশ, কাঠ খোলা হয়েছে। সেগুলি পড়ে আছে তারপরও দীর্ঘ ১৫ দিন ধরে কাজ বন্ধ আছে। কিন্তু আমাদের একটাই অনুরোধ অন্ততপক্ষে বাসস্ট্যান্ডের ভেতরটা গাড়ি যাতায়াতের জন্য ঢালাই করে দেওয়া হোক। এখনও বাসস্ট্যান্ডের যা পরিস্থিতি বয়স্ক মানুষেরা হাঁটাচলা করতে পারেন না ।
নবদ্বীপ ধাম স্টেশন রোড সংলগ্ন এলাকায় শহরের এই একমাত্র বাসস্ট্যান্ড। এই বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন ভোর থেকে রাত পর্যন্ত বর্ধমান, বাঁকুড়া, দুর্গাপুর, কালনা, কাটোয়া ছাড়াও উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি, বালুরঘাট, কোচবিহার সহ বিভিন্ন রুটের শতাধিক বাস চলাচল করে। নবদ্বীপ থেকে কৃষ্ণনগরের মধ্যে বেশকিছু স্থানীয় বাসও যাতায়াত করে। কিন্তু বেশ কয়েক বছর ধরে এই বাসস্ট্যান্ডের অবস্থা বেহাল। বাসস্ট্যান্ড জুড়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত ।
এমনকী ইট, খোয়া, পাথর বেরিয়ে গিয়েছে। কোনও গাড়ি চলাচল করলে ধুলোয় ভরে যায় এই বাসস্ট্যান্ড চত্বর। বাসস্ট্যান্ডের কর্মীরা প্রতিদিনই পাইপ দিয়ে জল দেন, যাতে ধুলো না ওড়ে। বাসস্ট্যান্ডের এই অব্যবস্থা দেখে নবদ্বীপ, মায়াপুরে ঘুরতে আসা মানুষজন বিরক্ত।
নবদ্বীপ-কোচবিহার, নবদ্বীপ-শিলিগুড়ি গাড়ির ম্যানেজার রানা বর্ধন বলেন, নবদ্বীপ বাসস্ট্যান্ডের কাজটা খুবই তাড়াতাড়ি শেষ করার দরকার। কিন্তু এই কাজটা খুবই ঢিমেতালে চলছে। স্থানীয় পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা এবং বিধায়ক পুণ্ডরীকাক্ষ সাহার উদ্যোগে এই কাজটা শুরু হয়েছে। কিন্তু কাজ খুব ধীরগতিতে হচ্ছে।
বাস মালিক মনোজিৎ বসাক বলেন, আমার নবদ্বীপ থেকে বর্ধমান, কালনা, পান্ডুয়া রুটের মধ্যে তিনটি গাড়ি চলে। দীর্ঘদিন পর বাসস্ট্যান্ডের কাজ শুরু হয়েছিল। আমরা খুশি হয়েছিলাম। এই বাসস্ট্যান্ডে কাজ শুরু হয়েছিল এপ্রিল মাসে। দেখতে দেখতে ৮ মাস হয়ে গেল।
স্থানীয় অন্নপূর্ণাতলার বাসিন্দা অপর্ণা দাস বলেন, এই বাসস্ট্যান্ডের পরিস্থিতি খুব খারাপ। বৃষ্টি হলে জল জমে যায়। দ্রুত বাসস্ট্যান্ডের কাজ শেষ করা উচিত।
নদীয়া জেলা বাস পরিবহণ কর্মী ইউনিয়নের নবদ্বীপ বাসস্ট্যান্ডের সম্পাদক সুজিত সরকার বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বাসস্ট্যান্ডের পরিস্থিতি খুব খারাপ। এবছর ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেছিলেন। এপ্রিল মাস থেকে কাজ শুরু হয়। এতদিনে পাঁচটা শেডের কাজ হয়েছে। শেডগুলি ঢালাই হয়েছে। ঢালাই করার পরে বাঁশ, কাঠ খোলা হয়েছে। সেগুলি পড়ে আছে তারপরও দীর্ঘ ১৫ দিন ধরে কাজ বন্ধ আছে। কিন্তু আমাদের একটাই অনুরোধ অন্ততপক্ষে বাসস্ট্যান্ডের ভেতরটা গাড়ি যাতায়াতের জন্য ঢালাই করে দেওয়া হোক। এখনও বাসস্ট্যান্ডের যা পরিস্থিতি বয়স্ক মানুষেরা হাঁটাচলা করতে পারেন না ।



