সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: সারা বছর যিনি দক্ষিণাকালী হিসেবে পূজিত হন, শ্রীপঞ্চমী তিথিতে তিনিই পূজিত হন নীল সরস্বতী রূপে। তিনি নবদ্বীপের গ্রাম্যদেবী পোড়ামা। রবিবার দুপুরে থেকেই স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক- শিক্ষিকা, এমনকী বহু প্রবীণ মানুষ মা পোড়ামার মন্দিরে অঞ্জলি দিতে হাজির হয়েছিলেন। আজ সোমবারও সকাল থেকে তিথি থাকা পর্যন্ত অনেকেই পোড়ামার কাছে অঞ্জলি দেবেন।
Advertisement
পোড়ামা মন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো এদিনও দক্ষিণাকালী মন্ত্রে দেবীর নিত্যপুজো হয়। এরপরই শুরু হয়ে যায় বাগদেবীর অঞ্জলি পর্ব।
এদিন দুপুরে অনেকেই তাদের শিশু সন্তানদের নিয়ে এখানে হাতেখড়ি দেওয়াতে এসেছিলেন।
জানা যায়, নবদ্বীপের প্রাণকেন্দ্র এই পোড়ামা মন্দির প্রাঙ্গণে এক সময়ে নবদ্বীপের পণ্ডিতরা সংস্কৃত চর্চা করতেন। পণ্ডিত সমাজ ওই স্থানে বসে সংস্কৃত পরীক্ষা নিতেন আবার বিতর্ক সভায় যোগদানও করতেন। সেই সময় থেকেই এই শ্রীপঞ্চমী তিথিতে নীল সরস্বতীর পুজো হয়ে আসছে।
নবদ্বীপ বিদ্যাসাগর কলেজে বাংলা অনার্সের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী শর্মিষ্ঠা বিশ্বাস বলেন, প্রায় ১২ বছর ধরে এই পোড়ামা মন্দিরে মায়ের কাছে অঞ্জলি দিচ্ছি। শুনেছি একসময় এখানে পণ্ডিত সমাজ বিদ্যাচর্চা করতেন। শ্রীপঞ্চমী তিথিতে নবদ্বীপের গ্রাম্যদেবী পোড়ামা নীল সরস্বতী জ্ঞানে পূজিত হয়ে আসছেন।
পোড়ামা মন্দিরের পুরোহিত তারক চক্রবর্তী বলেন, পোড়ামা হলেন মহাসরস্বতী। সেই হিসেবে দক্ষিণা কালীর পাশাপাশি শ্রীপঞ্চমী তিথিতেই মহা সরস্বতী হিসেবে পূজিত হন। এদিন দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সের মানুষ পোড়ামার কাছে অঞ্জলি দেন।
নবদ্বীপ পুরাতত্ব পরিষদের সম্পাদক শান্তিরঞ্জন দেব বলেন, আনুমানিক ১৬০০ খ্রিস্টাব্দের শেষ দিকে পোড়ামাতলায় ঘট প্রতিষ্ঠা করেন দ্বিতীয় বাসুদেব সার্বভৌম। সারাবছর পোড়ামা দক্ষিণাকালী রূপে পূজিত হন।
১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গবিবুধ জননী সভা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে নবদ্বীপর পণ্ডিত সমাজ এখানে বিতর্ক সভা, সংস্কৃত পরীক্ষার আয়োজন করতেন। এই স্থান পঞ্চমুণ্ডীর আসন, এখানে তন্ত্র মতে দক্ষিণাকালীর ধ্যানে পুজো হয়। কিন্ত সরস্বতী পুজোর বাসন্তী পঞ্চমীতে তন্ত্রমতেই নীল সরস্বতীর ধ্যানে পুজো হয়ে আসছে।
এদিন দুপুরে অনেকেই তাদের শিশু সন্তানদের নিয়ে এখানে হাতেখড়ি দেওয়াতে এসেছিলেন।
জানা যায়, নবদ্বীপের প্রাণকেন্দ্র এই পোড়ামা মন্দির প্রাঙ্গণে এক সময়ে নবদ্বীপের পণ্ডিতরা সংস্কৃত চর্চা করতেন। পণ্ডিত সমাজ ওই স্থানে বসে সংস্কৃত পরীক্ষা নিতেন আবার বিতর্ক সভায় যোগদানও করতেন। সেই সময় থেকেই এই শ্রীপঞ্চমী তিথিতে নীল সরস্বতীর পুজো হয়ে আসছে।
নবদ্বীপ বিদ্যাসাগর কলেজে বাংলা অনার্সের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী শর্মিষ্ঠা বিশ্বাস বলেন, প্রায় ১২ বছর ধরে এই পোড়ামা মন্দিরে মায়ের কাছে অঞ্জলি দিচ্ছি। শুনেছি একসময় এখানে পণ্ডিত সমাজ বিদ্যাচর্চা করতেন। শ্রীপঞ্চমী তিথিতে নবদ্বীপের গ্রাম্যদেবী পোড়ামা নীল সরস্বতী জ্ঞানে পূজিত হয়ে আসছেন।
পোড়ামা মন্দিরের পুরোহিত তারক চক্রবর্তী বলেন, পোড়ামা হলেন মহাসরস্বতী। সেই হিসেবে দক্ষিণা কালীর পাশাপাশি শ্রীপঞ্চমী তিথিতেই মহা সরস্বতী হিসেবে পূজিত হন। এদিন দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সের মানুষ পোড়ামার কাছে অঞ্জলি দেন।
নবদ্বীপ পুরাতত্ব পরিষদের সম্পাদক শান্তিরঞ্জন দেব বলেন, আনুমানিক ১৬০০ খ্রিস্টাব্দের শেষ দিকে পোড়ামাতলায় ঘট প্রতিষ্ঠা করেন দ্বিতীয় বাসুদেব সার্বভৌম। সারাবছর পোড়ামা দক্ষিণাকালী রূপে পূজিত হন।
১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গবিবুধ জননী সভা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে নবদ্বীপর পণ্ডিত সমাজ এখানে বিতর্ক সভা, সংস্কৃত পরীক্ষার আয়োজন করতেন। এই স্থান পঞ্চমুণ্ডীর আসন, এখানে তন্ত্র মতে দক্ষিণাকালীর ধ্যানে পুজো হয়। কিন্ত সরস্বতী পুজোর বাসন্তী পঞ্চমীতে তন্ত্রমতেই নীল সরস্বতীর ধ্যানে পুজো হয়ে আসছে।



