নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: লোকসভা নির্বাচনের পর মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবাবি শহর লালবাগের নবাব বাহাদুর ইনস্টিটিউটের মাঠে সোমবার দুপুর ১টায় শুরু হবে সভা। এই প্রথম জেলার তিনটি লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। এই সভা থেকেই কল্পতরু হবেন মুখ্যমন্ত্রী। ৫০০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
Advertisement
মাত্র চার দিনের প্রস্তুতিতে জেলা পুলিস এবং প্রশাসন এই সভার আয়োজন করেছে। মুখ্যমন্ত্রীর সভা ঘিরে জেলাজুড়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। দুপুর ১টা নাগাদ সভাস্থলের পাশের মাঠেই হেলিপ্যাডে নামবেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর সরাসরি সভাস্থলে এসে প্রকল্প ও পরিষেবার উদ্বোধন করবেন তিনি। গত বছর ৩১ জানুয়ারি বহরমপুর স্টেডিয়ামে প্রশাসনিক সভায় অংশ নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবারও জেলার জন্য একাধিক প্রকল্প পরিষেবার উদ্বোধন করেছিলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। শেষ মুহূর্তের মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থলের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রবিবার দুপুরে সেখানে হাজির হয়েছিলেন জেলা পুলিস ও প্রশাসনের শীর্ষকর্তারা। প্রশাসনিক সভায় উপস্থিত থাকবেন সমস্ত জনপ্রতিনিধিরা। জেলার পাঁচ মহকুমা থেকে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এই সভায় অংশ নেবেন।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বেশ কয়েকটি রাস্তা এবং ব্রিজের শিলান্যাস করবেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বহরমপুর শহরের বারাক স্কয়ার ময়দানের পার্শ্ববর্তী ভিলেজ ইন্ডাস্ট্রির বেশ কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী শিল্পের উদ্বোধন করবেন তিনি। সব মিলিয়ে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস হবে। বেশকিছু নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন হওয়ায় জেলাবাসী উপকৃত হবেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, দেবীপুর জলঙ্গি রোডের জন্য ২৭ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন হবে। বহরমপুর হরিহরপাড়া-আমতলা রোডটি ৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ হয়েছে। এদিন সেই রাস্তার উদ্বোধন করবেন তিনি। বরঙ্গা থেকে বেলগ্রাম রোডের জন্য ১৬ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। সেই রাস্তারও উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। কুলিতে কানা ময়ূরাক্ষী নদীতে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রিজের শিলান্যাস করবেন বলেই খবর। ভগবানগোলা-২ ব্লকের মালিপুরে দুই কোটি টাকা ব্যয়ে জল প্রকল্পের উদ্বোধন হবে। পাশাপশি বহরমপুরে ভিলেজ ইন্ডাস্ট্রির পাশে কাঁসা-পিতল ও সোলার দোকানের উদ্বোধন হবে। দোকান মালিকদের হাতে চাবি তুলে দেবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া ৫২জন উপভোক্তার হাতে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা তুলে দেবেন বলেই জানা গিয়েছে।
বেলডাঙার দুই চাষিকে ‘আমার ফসল আমার গোলা’ প্রকল্পে পেঁয়াজ সংরক্ষণা কেন্দ্র গড়ে তোলার ছাড়পত্র দেওয়া হবে। পাশাপশি এদিন মঞ্চ থেকে লো-কস্ট অনিয়ন স্টোরেজের সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হবে তিন চাষির হাতে। কন্যাশ্রী, রূপশ্রী প্রকল্প ও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের চার উপভোক্তার হাতেও এদিন প্রকল্পের সুবিধা তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। দুই পঞ্চায়েত প্রধানকে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে ই-কার্ট তুলে দেওয়া হবে। সবুজ সাথী, চোখের আলো, স্বাস্থ্যসাথী ও সমব্যথী প্রকল্পের নতুন উপভোক্তাদেরও এদিন মুখ্যমন্ত্রী প্রকল্পের সুবিধা দেবেন নিজে হাতে।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বেশ কয়েকটি রাস্তা এবং ব্রিজের শিলান্যাস করবেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বহরমপুর শহরের বারাক স্কয়ার ময়দানের পার্শ্ববর্তী ভিলেজ ইন্ডাস্ট্রির বেশ কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী শিল্পের উদ্বোধন করবেন তিনি। সব মিলিয়ে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস হবে। বেশকিছু নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন হওয়ায় জেলাবাসী উপকৃত হবেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, দেবীপুর জলঙ্গি রোডের জন্য ২৭ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন হবে। বহরমপুর হরিহরপাড়া-আমতলা রোডটি ৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ হয়েছে। এদিন সেই রাস্তার উদ্বোধন করবেন তিনি। বরঙ্গা থেকে বেলগ্রাম রোডের জন্য ১৬ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। সেই রাস্তারও উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। কুলিতে কানা ময়ূরাক্ষী নদীতে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রিজের শিলান্যাস করবেন বলেই খবর। ভগবানগোলা-২ ব্লকের মালিপুরে দুই কোটি টাকা ব্যয়ে জল প্রকল্পের উদ্বোধন হবে। পাশাপশি বহরমপুরে ভিলেজ ইন্ডাস্ট্রির পাশে কাঁসা-পিতল ও সোলার দোকানের উদ্বোধন হবে। দোকান মালিকদের হাতে চাবি তুলে দেবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া ৫২জন উপভোক্তার হাতে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা তুলে দেবেন বলেই জানা গিয়েছে।
বেলডাঙার দুই চাষিকে ‘আমার ফসল আমার গোলা’ প্রকল্পে পেঁয়াজ সংরক্ষণা কেন্দ্র গড়ে তোলার ছাড়পত্র দেওয়া হবে। পাশাপশি এদিন মঞ্চ থেকে লো-কস্ট অনিয়ন স্টোরেজের সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হবে তিন চাষির হাতে। কন্যাশ্রী, রূপশ্রী প্রকল্প ও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের চার উপভোক্তার হাতেও এদিন প্রকল্পের সুবিধা তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। দুই পঞ্চায়েত প্রধানকে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে ই-কার্ট তুলে দেওয়া হবে। সবুজ সাথী, চোখের আলো, স্বাস্থ্যসাথী ও সমব্যথী প্রকল্পের নতুন উপভোক্তাদেরও এদিন মুখ্যমন্ত্রী প্রকল্পের সুবিধা দেবেন নিজে হাতে।



