Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যাপক ক্ষতি নামখানার মৌসুনি পর্যটনকেন্দ্রে

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে লন্ডভন্ড নামখানার মৌসুনি পর্যটনকেন্দ্র। একাধিক কটেজের পিছনের অংশ ভেঙে পড়ছে। পর্যটকরা সমুদ্রে স্নান করতে যেতে পারছেন না।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যাপক ক্ষতি নামখানার মৌসুনি পর্যটনকেন্দ্রে
  • ১৭ জুলাই, ২০২৫ ১৭:০৭
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে লন্ডভন্ড নামখানার মৌসুনি পর্যটনকেন্দ্র। একাধিক কটেজের পিছনের অংশ ভেঙে পড়ছে। পর্যটকরা সমুদ্রে স্নান করতে যেতে পারছেন না। সমুদ্রের উথালপাথাল ঢেউয়ের দাপটেই এরূপ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে কটেজ মালিকরা। 

Advertisement

মৌসুনি পর্যটন কেন্দ্রে ৬২টি কটেজ আছে। এর মধ্যে প্রায় ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত। পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় কোটালের সময় সমুদ্রের জল বাড়ে। তখন ঢেউয়ে এগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কটেজে সমুদ্রের পাড়ে বসার বাঁশের মাচা পর্যন্ত ভেঙে গিয়েছে। বেশ কয়েকটিতে থাকার ঘর ও শৌচালয় ঢুকেছে নদীগর্ভে। দিন কয়েকের মধ্যে কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে কটেজ মালিকদের দাবি।
মৌসুনি ট্যুরিজম ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি অরুণ জানা বলেন, ‘সমুদ্রের ঢেউয়ের দাপট আগের তুলনায় অনেকটা বেড়েছে। ফলে প্রতি কোটালে কটেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পর্যটনকেন্দ্রের দক্ষিণ দিকে এখন কেউ স্নান করতে যেতে পারেন না। বারোসোয়াল থেকে কুসুমতলা পর্যন্ত শুধুমাত্র স্নান করা যায়। যে অংশ প্রবলভাবে ভাঙছে সেখানে স্থায়ী নদীবাঁধ তৈরি করতে হবে। না হলে এই পর্যটনকেন্দ্র বাঁচানো সম্ভব নয়।’ নামখানা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিশ্বজিৎ নাইয়া বলেন, ‘বর্ষাকাল আসার পর এরকম সমস্যা তৈরি হয়। এ বছরও কটেজগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতে আলোচনার পর জানানো হয়েছে কর্তৃপক্ষকে। সেচদপ্তর বাঁধ মেরামতের কাজ করছে। ক্ষতি আটকাতে প্রশাসন চেষ্টা করছে।’  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ