নিজস্ব সংবাদদাতা শান্তিপুর: শান্তিপুর ও ফুলিয়ার তাঁতিপাড়ায় শুরু হয়ে গিয়েছে পুজোর জন্য নতুন ডিজাইনের শাড়ি তৈরির তোড়জোড়। কিন্তু, তার আগে এ বছর দেশের ৭৯ তম স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপনে যোগ হয়েছে এক নতুন মাত্রা। প্রশাসনিক আধিকারিক থেকে শুরু করে বিধায়করা সক্রিয়ভাবে ‘হর ঘর তিরাঙ্গা’ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। আর এই দেশাত্মবোধক আবহে প্রভাব সরাসরি এসে পড়েছে নদীয়ার ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্পে।
শান্তিপুর ও ফুলিয়ার অভিজ্ঞ তাঁত শিল্পীদের হাতে এবার ফুটে উঠছে জাতীয় পতাকার তিন রঙে রঞ্জিত ‘তিরঙ্গা শাড়ি’। সামনে পুজোর নতুন কালেকশনের কাজ, তার উপর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে তিরঙ্গা শাড়ির চাহিদা, সব মিলিয়ে তাঁতিপাড়ায় এখন নাওয়া খাওয়া ভুলে কাপড় তৈরির প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। তাঁতশিল্পীরা জানাচ্ছেন, শাড়ির সরঞ্জাম ও মজুরির উপর নির্ভর করে দাম ধার্য করা হচ্ছে। ন্যূনতম ৪৫০ থেকে শুরু হচ্ছে এই বিশেষ শাড়ির দাম।
স্থানীয় তাঁতশিল্পীদের কথায়, প্রতিবছরই স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে এই ধরনের তিরাঙ্গা শাড়ি তৈরি করা হয়। কিন্তু, এ বছরের চিত্র সম্পন্ন আলাদা। ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানের প্রভাব এবং মানুষের উৎসাহের কারণে অন্য যেকোনো বছরের তুলনায় এবার বরাতের পরিমাণ বেশি। এক ব্যবসায়ী বলেন, বিগত দু’বছর এই শাড়ির চাহিদা ভালই ছিল। এখনো পর্যন্ত যত তিরঙ্গা শাড়ি স্টক করেছিলাম সবই প্রায় বিক্রি হয়ে গিয়েছে। বাজারের টান বুঝে আর কিছু শাড়ি তৈরি করার ইচ্ছে আছে। আশা করছি এ বছর ভালো ব্যবসা হবে।