নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং’য়ের (র) এজেন্ট পরিচয়ে দুর্গাপুরের এক শিক্ষিকার সঙ্গে প্রেম ও সহবাসের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছে অভিষেক মুখোপাধ্যায়। শুধু দুর্গাপুরেই নয়, ভুয়ো পরিচয় দিয়ে খড়দহের এক যুবতীকেও প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে টাকা জালিয়াতির ঘটনা সামনে এসেছে। এক্ষেত্রে অভিষেক নিজেকে নাসার বিজ্ঞানী বলে পরিচয় দেয়। খড়দহের প্রেমিকার পরিবারের তো হাতে চাঁদ পাওয়ার দশা। ‘হবু জামাই’ শুধু নাসার বিজ্ঞানীই নয়, সে নাকি মঙ্গল অভিযানেও যাবে! মহাকাশযানে চেপে মঙ্গলগ্রহে গিয়ে মাটি পরীক্ষা করবে। এই গল্প শুনিয়ে অভিষেক খড়দহের প্রেমিকা ও তাঁর মায়ের কাছ থেকে ছ’লক্ষ টাকা হাতায়। খড়দহ থানায় এমনই অভিযোগ দায়ের হয়েছে। দুর্গাপুর থানার পুলিস অভিষেককে নিয়ে তদন্তে নামতেই এই বিষয়টি সামনে এসেছে। ইংরেজি, বাংলা ও হিন্দি তিনটি ভাষাতেই অনর্গল কথা বলার ক্ষমতা রয়েছে স্মার্ট যুবক অভিষেকের। নিজের এই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে রাজ্যের বাইরের মেয়েদের সঙ্গেও সে প্রতারণা করেছে বলে অভিযোগ। দুর্গাপুর থানার পুলিস জানতে পেরেছে, দিল্লিতেও তার একজন স্ত্রী রয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, অভিষেক তাঁকেও প্রতারণা করে প্রেমের জালে ফাঁসিয়েছিল। তদন্তকারীরা মনে করছেন, শুধু তিনজন নয়, আরও অনেক মেয়েকেই প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে টাকা লুট করেছে সে। পুলিসের এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন, মহিলাদের বিভিন্ন ভুয়ো পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করেছে অভিষেক। দুর্গাপুরের শিক্ষিকাকে রেজিস্ট্রি ম্যারেজের যে শংসাপত্রটি দিয়েছিল, সেটিও নকল। তদন্তে সবদিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



