মুম্বই: অসুস্থতার কারণে গত ম্যাচে কেকেআরের দলে ছিলেন না সুনীল নারিন। সোমবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে নামতে প্রস্তুত ক্যারিবিয়ান তারকা অলরাউন্ডার। নাইট সমর্থকদের যা নিঃসন্দেহে স্বস্তি দেবে। টিম সূত্রের খবর, সোমবারের লড়াইয়ে নারিনকে সামনে রেখেই ঘুঁটি সাজাচ্ছে নাইটরা। শনিবার ওয়াংখেড়েতে পুরোদমে অনুশীলনও করেছেন তিনি। নেটে এক ঘণ্টা ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি হাতও ঘোরান মিস্ট্রি স্পিনার।
২০১২ সাল থেকে কেকেআরের সঙ্গে যুক্ত সুনীল নারিন। নাইটদের তিনবার খেতাব জয়ের পিছনেই বড় অবদান রয়েছে ক্যারিবিয়ান তারকার। ব্যাট হাতে ওপেনিংয়ে তিনি যেমন ঝড় তুলতে পারেন, তেমনই রহস্য স্পিনের জালে প্রতিপক্ষকে ধারশায়ী করতেও তাঁর জুড়ি নেই। গতবার ৪৮৮ রান করার পাশাপাশি ১৭টি উইকেট নিয়ে খেতাব জয়ে অন্যতম কাণ্ডারি হয়ে ওঠেন তিনি। এবারও প্রথম ম্যাচে ছন্দে দেখা গিয়েছে তাঁকে। ব্যাট হাতে ৪৪ রান, আর বোলিংয়ে একটি উইকেট। স্পিন বিভাগে মিস্ট্রি স্পিনার বরুণ চক্রবর্তীর সঙ্গে তাঁর জুটি বারবারই বিপাকে ফেলেছে প্রতিপক্ষকে। তাই নারিনকে রেখেই মুম্বই বধের মহড়া সারছেন কেকেআর কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত। শনিবারের প্র্যাকটিস সেশনে চনমনে নারিন আশার আলো দেখাচ্ছেন।
ওয়াংখেড়েতে কেকেআরের পরিসংখ্যান সুখকর নয়। মোট ১৭টি ম্যাচের মধ্যে ১২টিতে হেরেছে শাহরুখ খানের ফ্র্যাঞ্চাইজি। তবে এবার স্কোয়াডে মুম্বইয়ের একাধিক ক্রিকেটার রয়েছে। অঙ্গকৃষ রঘুবংশী গত মরশুমের ফর্ম ধরে রেখেছেন। তার উপর ঘরোয়া ক্রিকেটে মুম্বইয়ের নেতা অজিঙ্কা রাহানে এখন কেকেআরের অধিনায়ক। ওয়াংখেড়ের প্রতিটি ঘাস তাঁর চেনা। ঘরের মাঠে দলকে জেতাতে তৈরি তিনি। শনিবার জিম সেশনের ফাঁকে নিজের কেরিয়ার ও ফিটনেস নিয়ে এক সাক্ষাত্কার দিয়েছেন রাহানে। সেই ভিডিও কেকেআরের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছে। অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানের কথায়, ‘ছোট থেকেই ক্রিকেট পছন্দ করতাম। পাশাপাশি ক্যারাটেও শিখতাম। সেই সুবাদে ছোটবেলা থেকেই আমি ফিট। সেটা এখনও ধরে রেখেছি।’একটু থেমে তাঁর সংযোজন, ‘শুরুর দিকে অবশ্য খাদ্যাভাসের ব্যাপারে সচেতন ছিলাম না। তবে খাবারে নিয়ন্ত্রণটাও খুব জরুরি। সেটা পেশাদারি ক্রিকেটে এসে জানতে পেরেছি। ব্রেকফাস্ট ভারি করি। সেখানে ডিম, ফল ইত্যাদি থাকে। বাড়িতে থাকলে অবশ্য নিরামিষ খাবারই বেশি খাই। তবে বাইরে সেটা সম্ভব হয় না। জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলি। আর সময়মতো খাবার চেষ্টা করি। যদিও আইপিএলের মরশুমে কখনও কখনও ডিনার করতে দেরি হয়ে যায়। আর খাদ্যাভাসের পাশাপাশি শরীরচর্চাও খুব জরুরি।’