Bartaman Logo
২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শিলিগুড়িতে ওবিসি মোর্চার নেতার সঙ্গে হাতাহাতি নান্টুর, অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির

এবার হাতাহাতিতে জড়ালেন পদ্ম শিবিরের দুই কার্যকর্তা। তাঁদের একজন বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নান্টু পাল

শিলিগুড়িতে ওবিসি মোর্চার নেতার সঙ্গে হাতাহাতি নান্টুর, অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির
  • ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি,শিলিগুড়ি: এবার হাতাহাতিতে জড়ালেন পদ্ম শিবিরের দুই কার্যকর্তা। তাঁদের একজন বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নান্টু পাল। অপরজন দলের ওবিসি মোর্চার জেলা সভাপতি প্রণয় ঘোষ। মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে শিলিগুড়ি শহরের সিধু-কানহো সরণিতে। এনিয়ে নান্টুর বিরুদ্ধে ‘দাদাগিরির’ অভিযোগ উঠেছে। পালটা নান্টু অভব্য আচরণের অভিযোগ তুলেছেন। পুরভোটের আগে এলাকায় কর্তৃত্ব বজায় রাখা নিয়ে তাঁদের মধ্যে এমন গোলমাল বলে স্থানীয়দের ধারণা। প্রকাশ্যে দুই নেতার লড়াই ঘিরে চরম অস্বস্তিতে বিজেপি শিবির। তারা ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

Advertisement

বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা কমিটির সভাপতি অরুণ মণ্ডল বলেন, ওই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হবে।  পরবর্তীতে দলে আলোচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।
শহরের ১২নম্বর ওয়ার্ডের সিধু-কানহো সরণিতে মূর্তি পরিষ্কার ও রাস্তা সংস্কার নিয়ে একটি কর্মসূচি করে বিজেপি। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেন দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক নান্টু। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কর্মসূচিতে কর্তৃত্ব ফলানো নিয়ে আচমকাই নান্টু ও ওবিসি মোর্চার জেলা সভাপতি প্রণয়ের মধ্যে বচসা বাঁধে। এক-দু’কথায় উত্তেজিত হয়ে ওঠেন নান্টু। তিনি ওবিসি মোর্চার জেলা সভাপতির গায়ে হাত দেন বলে অভিযোগ। পালটা ওবিসি মোর্চার জেলা সভাপতি তেড়ে যান। দু’জনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। স্থানীয়রা কোনোরকমে দু’জনকে আটকালেও তাঁদের মধ্যে চলে আস্ফালন। ঘটনার পর নান্টুকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন ওবিসি মোর্চার জেলা সভাপতি। তিনি ওয়ার্ডের আদি বিজেপি কর্মী। বলেন, সারা বছর ওয়ার্ডে দল সামলালেও এখন আমাদের ‘গ্যারেজ’ করার চেষ্টা চলছে। দলীয় কর্মসূচি সম্পর্কে জানানো হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, স্বৈরাচার কায়েম করতেই দলের পুরনো কর্মীদের কোণঠাসা করার চক্রান্ত করেছেন নান্টু। অন্যায়ভাবে গায়ে হাত দিয়েছেন।
বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক নান্টু অবশ্য অভিযোগ মানতে নারাজ। তিনি বলেন, রাস্তা সংস্কার ও সিধু-কানহোর মূর্তি সংস্কার নিয়ে শক্তিমণ্ডল প্রমুখ একটি অনুষ্ঠান করে। তাতে অংশ নিই। দলের শৃঙ্খলা অনুসারে অনুষ্ঠানে আমার একপাশে শক্তিমণ্ডল প্রমুখ রাজকুমার পণ্ডিত, আরএক পাশে বুথ সভানেত্রী রীণা ঠাকুর ছিলেন। তাঁদের সরিয়ে সেখানে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন ওবিসি মোর্চার ওই নেতা। এনিয়ে প্রতিবাদ করলে তিনি আমার দিকে তেড়েফুঁড়ে আসেন। গায়ে হাত দেওয়ার চেষ্টা করেন। ঘটনাটি দলকে জানিয়েছি। এখন যা করার দল করবে। তবে আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ