নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে বাকি পাঁচ মামলায় হাইকোর্ট কোনো নির্দেশ দিল না। ইতিমধ্যেই পাঁচটি মামলায় আপাতত ৫ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁকে জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছে নিম্ন আদালত। এছাড়া মিলনের বিরুদ্ধে আরও পাঁচটি পুরানো মামলা রয়েছে। সেগুলিতেই রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মিলন।
মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে সেই মামলার শুনানিতে মিলনের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য বলেন, ‘২০০৭ সালের পুরানো মামলার পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কীভাবে ব্যাহত করা যায়, তার একটি আদর্শ উদাহরণ।’
রাজ্যের তরফে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার জানান, নির্বাচনের সময় আদর্শ আচরণবিধি অনুযায়ী, শুধু মিলনের বিরুদ্ধেই নয়, অন্যদের বিরুদ্ধেও থাকা পরোয়ানা কার্যকর করা হয়েছে। তবে বাকি পাঁচ মামলায় মিলন মূল অভিযুক্ত নন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ করা হবে না। এরপরই বিচারপতি ভট্টাচার্য জানিয়ে দেন, এই মামলায় কোনো পদক্ষেপের প্রয়োজন নেই। পরবর্তী শুনানি ১২ অক্টোবর।