Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দেশ থেকে তাড়ানোর জন্যই ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিচ্ছে: শতাব্দী

সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়া ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। তাঁদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় নথি জমা দিলেও তালিকায় নাম ওঠেনি।

দেশ থেকে তাড়ানোর জন্যই ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিচ্ছে: শতাব্দী
  • ৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:০৪
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়া ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। তাঁদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় নথি জমা দিলেও তালিকায় নাম ওঠেনি। কমিশন প্রকাশিত তালিকা নিয়ে দিকে দিকে ক্ষোভ বাড়ছে। এই আবহে শুক্রবার মুরারই কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থী মোশারফ হোসেনের সমর্থনে প্রচারে এসে তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, ‘ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিচ্ছে, যাতে আপনাদের দেশ থেকে তাড়াতে পারে। ভোট না দিলে আপনি যে দেশের নাগরিক, তার প্রমাণ থাকছে না।’ এসআইআরের জেরে নাম বাদ পড়া নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দিকে দিকে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বাদ পড়া ভোটাররা। শুধু বিক্ষোভ নয়, নাম বাদ যাওয়ার আতঙ্কে মঙ্গলবার ময়ূরেশ্বর বিধানসভায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও কমিশন জানাচ্ছে, এটি একটি নিয়মমাফিক প্রক্রিয়া। তবে বিরোধীরা অভিযোগ করছে, পরিকল্পিতভাবে নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেশ থেকে তাড়ানোর চেষ্টা চলছে। এদিন মুরারই বিধানসভায় দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে নন্দীগ্রামে পথসভায় বক্তব্য রাখার সময় শতাব্দী বলেন, এসআইআরে প্রচুর লোকের নাম বাদ গিয়েছে। বিজেপি কৌশলে এসআইআরে নাম বাদ দিচ্ছে যাতে আপনাকে দেশ থেকে তাড়াতে পারে। যাতে আপনি ভোট দিতে না পারেন। ভোট না দিলে আপনি যে এই দেশের নাগরিক তার প্রমাণ থাকছে না। নাগরিকের একমাত্র প্রমাণ হচ্ছে ভোটদান। ভোট যদি না দিতে পারেন, তাহলে পরে ওরা প্রমাণ করতে পারে, আপনার ভোট দেওয়ার অধিকার নেই। হয় আপনি দেশে ছেড়ে চলে যাবেন। নয়তো আপনি এদেশের নাগরিক নন, তা প্রমাণ হয়ে যাবে। পাশাপাশি তিনি বলেন, তৃণমূল ছাড়া অন্য কোনো দল আপনাদের হয়ে লড়ছে না। একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনাদের কথা ভাবে। তিনি যা বলেন, সেটা করে দেখান। তাঁর জনমুখী প্রত্যেকটি প্রকল্পের সুবিধা আমরা পাচ্ছি। তাই আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী দেখতে চাই। যদিও এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রিঙ্কি ঘোষের স্বামী তথা দলের জেলা সম্পাদক হেমন্ত ঘোষ বলেন, স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরির জন্যই এসআইআর। কাউকে দেশ থেকে তাড়ানোর জন্য নয়। এসআইআরের ফলে তৃণমূলের ভোট ব্যাংকে থাবা পড়েছে বুঝতে পেরে এসব কথা বলছেন সাংসদ। এদিন এই পথসভার আগে মুরারই কার্যালয়ে দলীয় নেতা কর্মী ও প্রার্থীকে নিয়ে বৈঠক করেন শতাব্দী। পরে বিকালের দিকে আমডোল, জাজিগ্রাম, পাইকর, মিত্রপুর ও পাইকর-২ অঞ্চলে পথসভা করেন। প্রতিটি সভায় মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। • জনসভায় শতাব্দী। নিজস্ব চিত্র

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ