নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: রেলের কাছে নৈহাটির পুরসভার বকেয়া চার কোটি টাকা। নৈহাটি স্টেশন এবং গরিফা স্টেশনের জন্য রেলের কাছে সার্ভিস চার্জ বাবদ এই টাকা চেয়েছিল নৈহাটি পুরসভা। পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারের সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক করেন পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ১৯৯৫ সালে সার্ভিস চার্জ হিসেবে পুরসভা ১৬ লক্ষ টাকা পেয়েছিল। তারপর আর কোনও টাকা দেয়নি রেল কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে তা বেড়ে চার কোটি টাকার কিছু বেশি হয়েছে। বারবার রেলকে চিঠি দিয়েও লাভ হয়নি। শুধু সার্ভিস চার্জ নয়, নৈহাটিতে রেলের যে জমি পড়ে রয়েছে, সেই জমি পুরসভাকে দিয়ে দেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে অবশ্য সাড়া দেয়নি রেল। পুর চেয়ারম্যান বলেন, রেলের ওই জমিতে নানা ধরনের অসামাজিক কাজ হয়। বলেছিলাম, ওই উদ্বৃত্ত জমি আমাদের দিয়ে দেওয়া হোক। সেখানে সৌন্দর্যায়নের কাজ করব। আমাদের পুর এলাকায় বড় জংশন স্টেশন হল নৈহাটি। পাশাপাশি রয়েছে গরিফা স্টেশনও। নৈহাটি স্টেশনে বাইক, সাইকেল রাখার জায়গা নেই। মানুষের আসা যাওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা রয়েছে। শুনেছি, নৈহাটিকে মডেল স্টেশন করা হবে। এখানে যাত্রী সমস্যার শেষ নেই। আমরা দু’টি স্টেশনে সব পরিষেবা দিয়ে থাকি। তাই সার্ভিস চার্জ দাবি করেছি। সোমবার রেলের জনসংযোগ দপ্তরের পক্ষ থেকে দীপ্তিময় দত্ত বলেছিলেন, এই ধরনের সার্ভিস চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও গাইডলাইন নেই। প্রসঙ্গত, প্রতিটি পুরসভাই সম্পত্তি কর থেকে আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে রেল সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের সম্পত্তি থেকে সার্ভিস চার্জ আদায়ের উদ্যোগ নিয়েছে।



