Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ডিভিসি অঞ্চলে বন্যা নিয়ন্ত্রণে ১ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন নবান্নের

ডিভিসি অঞ্চলে বন্যা নিয়ন্ত্রণে এক হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের অনুমোদন দিল নবান্ন। বিশ্ব ব্যাংক এবং এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (এআইআইবি) সহযোগিতায় ওয়েস্ট বেঙ্গল মেজর ইরিগেশন অ্যান্ড ফ্লাড ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্টের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ হাতে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য।

ডিভিসি অঞ্চলে বন্যা নিয়ন্ত্রণে ১ হাজার  কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন নবান্নের
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

প্রীতেশ বসু, কলকাতা: ডিভিসি অঞ্চলে বন্যা নিয়ন্ত্রণে এক হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের অনুমোদন দিল নবান্ন। বিশ্ব ব্যাংক এবং এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (এআইআইবি) সহযোগিতায় ওয়েস্ট বেঙ্গল মেজর ইরিগেশন অ্যান্ড ফ্লাড ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্টের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ হাতে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য। মঙ্গলবার দ্বিতীয় পর্যায়ের এই প্রকল্পের ছাড়পত্র দিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা। বন্যার কারণে নিম্ন দামোদর অববাহিকায় বছরের পর বছর অসংখ্য মানুষকে ভুগতে হয়। একাধিকবার দরবার করেও বন্যা নিয়ন্ত্রণে কাজে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়নি কেন্দ্র। গত দশবছরে বন্যা নিয়ন্ত্রণে খাতে বাংলাকে একটি টাকাও না দেওয়ার অভিযোগে উঠেছে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব ব্যাংকের সাহায্যেই এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৩,৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েছিল রাজ্য। ২০২০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত এই অর্থ ব্যয়ে নদীবাঁধ মেরামত থেকে শুরু করে বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে সেচদপ্তর।

Advertisement

তার জেরে হাওড়ার আমতা ও উদয়নারায়ণপুরে পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে। তবে এখনো বেশ কিছুটা কাজ বাকি। তাই দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ হাতে নেওয়া হচ্ছে। সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া জানান, কেন্দ্র টাকা না দেওয়ায় রাজ্যের কোষাগার থেকেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ করাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্ষেত্রেও একই ব্যাপার, কেন্দ্র কিছু না করায় রাজ্যকে নিজের ব্যবস্থা নিজেকেই করতে হচ্ছে। এর জেরে কৃষি, সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাবেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।এবারের প্রকল্পে দামোদরের দু-ধারের বাঁধ নির্মাণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজ করা হবে। এছাড়া রূপনারায়ণ নদীর হাওড়া এবং হুগলির দিকের পারেও বন্যা ঠেকাতে একাধিক কাজ করা হবে। এর আগের পর্যায়েও এই অঞ্চলে কাজ হয়েছে। এবার বাকি প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, এই নিয়ে ইতিমধ্যেই বিশ্ব ব্যাংক এবং এআইআইবির অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। প্রথম পর্যায়ের কাজ নির্ধারিত সময়ে এবং যথাযথ গুণমানে সম্পন্ন হওয়ায় তারা দ্বিতীয় পর্যায়ের জন্য সহজ শর্তে ঋণ দিতে রাজি বলে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে। ফলে এবার কেন্দ্রের ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনোমিক অ্যাফেয়ার্স ছাড়পত্র দিলেই বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তা পাবে রাজ্য। বিশ্বব্যাংক এবং এআইআইবি ৭০ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ করবে। আর রাজ্য দেবে বাকি ৩০ শতাংশ টাকা। এই পরিস্থিতিতে ডিভিসি অঞ্চলের দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রকল্পের ছাড়পত্র কেন্দ্র কবে দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ