সংবাদদাতা, ইসলামপুর: আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে পড়ুয়াদের বিক্ষোভ ইসলামপুর কলেজে। সোমবার তাঁদের একাংশ কলেজের গেটে বসে বিক্ষোভ দেখান। পড়ুয়াদের দাবি, নয়া সেমেস্টার ও অন্যান্য ফি বাবদ অত্যাধিক টাকা নেওয়া হচ্ছে। ভর্তির ফি’তে হিসেব বহির্ভূত টাকা আদায় করার অভিযোগও তুলেছে বিক্ষোভকারীরা। তিন বছর থেকে লাগাতার গোল্ডেন জুবিলি ফি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।
Advertisement
বিক্ষোভকারী ছাত্র মহম্মদ আলতাব বলেন, ভর্তি হতে ১২৪৫ টাকা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু রসিদে ডেভলপমেন্ট, বিল্ডিং, পরীক্ষা, মেন্টেনেন্স সহ অন্যান্য ফি বাবদ নেওয়া টাকা যোগ করলে দেখা যাচ্ছে ১১৯৪ টাকা হচ্ছে। বাকি ৫১ টাকার হিসেব নেই। এভাবে কলেজের আট হাজার ছাত্রছাত্রীর কাছ থেকে ৫১ টাকা করে বেশি নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
পড়ুয়াদের কথায়, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অন্য কলেজে দ্বিতীয় সেমেস্টারে ভর্তির জন্য ২৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ইসলামপুর কলেজে সেটাই ৮৭০ টাকা। বাংলার পড়ুয়াদের কাছেও ল্যাবের ফি বাবদ ১৫০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। ২০২৩ সালে কলেজের গোল্ডেন জুবিলি হলেও অনুষ্ঠান হয়নি। কিন্তু ২০২৩ সাল থেকে প্রতি বছর সেজন্য পড়ুয়া প্রতি ১০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এত টাকা কী হচ্ছে? কর্তৃপক্ষ বড় আর্থিক অনিয়ম করছে অভিযোগ করে তদন্তের দাবি জানিয়েছে পড়ুয়ারা।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উজির আহমেদ বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগে যে ফি কাঠামো ছিল, সেটাই রয়েছে। সেটা বদল করার ক্ষমতা আমার নেই। তবে গোটা রাজ্যের তুলনায় ইসলামপুর কলেজে কম ফি নেওয়া হয়।
হিসেব বহির্ভূত ৫১ টাকা নেওয়া প্রসঙ্গে উজিরের মন্তব্য, এমন কোনও বিষয় নেই। আমি অফিসে ফোন করে জেনেছি হিসেব ঠিক আছে। ২০২৩ সাল থেকেই গোল্ডেন জুবিলি বর্ষ হিসেবে ছোট ছোট কর্মসূচি চলছে। বড় করেও অনুষ্ঠান করা হবে। ম্যানেজিং কমিটির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। সেখানে সিদ্ধান্ত হলে আর ওই টাকা নেওয়া হবে না।
পড়ুয়াদের কথায়, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অন্য কলেজে দ্বিতীয় সেমেস্টারে ভর্তির জন্য ২৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ইসলামপুর কলেজে সেটাই ৮৭০ টাকা। বাংলার পড়ুয়াদের কাছেও ল্যাবের ফি বাবদ ১৫০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। ২০২৩ সালে কলেজের গোল্ডেন জুবিলি হলেও অনুষ্ঠান হয়নি। কিন্তু ২০২৩ সাল থেকে প্রতি বছর সেজন্য পড়ুয়া প্রতি ১০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এত টাকা কী হচ্ছে? কর্তৃপক্ষ বড় আর্থিক অনিয়ম করছে অভিযোগ করে তদন্তের দাবি জানিয়েছে পড়ুয়ারা।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উজির আহমেদ বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগে যে ফি কাঠামো ছিল, সেটাই রয়েছে। সেটা বদল করার ক্ষমতা আমার নেই। তবে গোটা রাজ্যের তুলনায় ইসলামপুর কলেজে কম ফি নেওয়া হয়।
হিসেব বহির্ভূত ৫১ টাকা নেওয়া প্রসঙ্গে উজিরের মন্তব্য, এমন কোনও বিষয় নেই। আমি অফিসে ফোন করে জেনেছি হিসেব ঠিক আছে। ২০২৩ সাল থেকেই গোল্ডেন জুবিলি বর্ষ হিসেবে ছোট ছোট কর্মসূচি চলছে। বড় করেও অনুষ্ঠান করা হবে। ম্যানেজিং কমিটির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। সেখানে সিদ্ধান্ত হলে আর ওই টাকা নেওয়া হবে না।



