বেজিং: নতুন এক প্রজাতির করোনা ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া গেল চীনে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, নতুন এই ভাইরাসের নাম এইচকেইউ৫-কোভ-২। কোভিড ছড়ানোর জন্য দায়ী সার্স কোভ-২ –র মতোই এই ভাইরাসও বাদুড় থেকে মানুষের শরীরে সংক্রামিত হতে পারে। বিখ্যাত বিজ্ঞানী শি ঝেংলির নেতৃত্বে একদল ভাইরোলজিস্ট নতুন ভাইরাস নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছিলেন। তখনই নতুন প্রজাতির করোনা ভাইরাসের খোঁজ মেলে। ঝেংলি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রজাতি করোনা ভাইরাস নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন। এই কাজের জন্য গবেষক মহলে ‘ব্যাটওম্যান’ নামেও পরিচিত তিনি। কোভিড ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় ‘কুখ্যাত’ উহান ইনস্টিটিউটেও কাজ করেছেন ঝেংলি।
Advertisement
নতুন ভাইরাসটি সম্পর্কে গবেষকরা জানিয়েছেন, সার্স কোভ-২-র সঙ্গে এর অনেক ক্ষেত্রেই মিল রয়েছে। সার্স কোভ-২ যে পদ্ধতিতে মানব শরীরের কোষে ঢুকে পড়ত, এইচকেইউ৫-কোভ-২ ভাইরাসও একই পদ্ধতি অবলম্বন করে। মানব শরীরে সংক্রমণের ব্যাপারে নতুন ভাইরাসটি সার্স কোভ-২ ভাইরাসের থেকেও বেশি শক্তিশালী বলেও জানিয়েছেন ওই গবেষকরা। তবে ঠিক কী পদ্ধতিতে এই ভাইরাস মানব শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং তার প্রভাব কতটা ভয়ঙ্কর হবে, তা নিয়ে এখনও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।
তবে নতুন ভাইরাস থেকে মহামারীর আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মাইকেল অস্টারহোম। তাঁর মতে, ২০১৯ সালে সার্স বা সম প্রজাতির ভাইরাসের বিরুদ্ধে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যতটা ছিল, কোভিড পরবর্তী সময়ে সেই ক্ষমতা অনেকটাই বেড়েছে। ফলে ফের মহামারীর আশঙ্কা নেই বললেই চলে।
তবে নতুন ভাইরাস থেকে মহামারীর আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মাইকেল অস্টারহোম। তাঁর মতে, ২০১৯ সালে সার্স বা সম প্রজাতির ভাইরাসের বিরুদ্ধে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যতটা ছিল, কোভিড পরবর্তী সময়ে সেই ক্ষমতা অনেকটাই বেড়েছে। ফলে ফের মহামারীর আশঙ্কা নেই বললেই চলে।



