সংবাদদাতা, দিনহাটা: বছরের শেষে প্রকাশ্যে আসে দিনহাটা পুরসভার বিল্ডিং প্ল্যান পাশে ভুয়ো রসিদ কাণ্ড। তার জেরে গ্রেপ্তার হয়েছেন এক পুরকর্মী। ইস্তফা দিয়েছেন পুরসভার চেয়ারম্যান গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরী। চেয়ারম্যান পদ ফাঁকা থাকায় এখন দায়িত্বে ভাইস চেয়ারম্যান সাবির সাহা চৌধুরী। শীঘ্রই পূরণ করতে হবে চেয়ারম্যানের পদ। তাই বছরের প্রথম দিনেই কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ। এদিকে, শহরে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে পরবর্তী চেয়ারম্যান কে হবেন? মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ কেউ, নাকি অন্য কোনও সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য নেতৃত্ব।
Advertisement
এখন দায়িত্ব রয়েছেন সাবির সাহা চৌধুরী। একসময় টিএমসিপি’র কোচবিহার জেলা সভাপতি ছিলেন তিনি। বর্তমানে মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ তালিকায় নাম রয়েছে তাঁর। বছর শুরুর দিনে শহরের এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর পাশে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তরুণ তুর্কি এই কাউন্সিলারকেই কি বাজি করতে চাইছেন উদয়ন , এই প্রশ্ন অনেকের মনেই ঘুরপাক খাচ্ছে। সামনেই ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন। তবে চেয়ারম্যান পদ নিয়ে কিছু বলতে নারাজ তিনি। শুধু বলেন, কে চেয়ারম্যান হবেন তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন মন্ত্রী। উনি যা সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটাই শিরোধার্য।
তবে সাবিরের প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ আরও এক কাউন্সিলার। মন্ত্রীর বাড়ি ২ নম্বর ওয়ার্ডে। ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলার চঞ্চল সাহা। রসিদ কাণ্ড তিনিই প্রকাশ্যে আনেন। দীর্ঘদিন ধরে উদয়ন গুহের সঙ্গে দল করেছেন। যে ঘটনার প্রেক্ষিতে পদত্যাগ করেছেন চেয়ারম্যান, সেই ঘটনা প্রকাশ্যে আনার পুরস্কার তিনিও পেতে পারেন। তিনি বলেন, মন্ত্রী কলকাতা গিয়েছেন। রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। শীর্ষ নেতারা যা সিদ্ধান্ত নেবেন তাই শিরোধার্য।
বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা কাউন্সিলার পার্থনাথ সরকারও এই দৌড়ে। সম্প্রতি কিছু ঘটনায় মন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক তিক্ত হয়। তৃণমূলের দুর্দিনের কর্মী। কলকাতার একাধিক শীর্ষ নেতার সঙ্গে আলাপ রয়েছে। সেই সূত্রে রাজ্য নেতৃত্বের নজর তাঁর প্রতিও পড়তে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। যদিও তিনি বলেন, পুরসভার একাধিক বিষয় নিয়ে দলের ভিতরে-বাইরে প্রতিবাদ করেছি। চেয়ারম্যান কে হবেন, তা নিয়ে মন্ত্রী বা দলের অন্য কোনও নেতার সঙ্গে আলোচনা হয়নি। রাজ্য নেতৃত্ব যাঁকেই করবেন, আমরা তাঁকেই মেনে নেব।
১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার জাকারিয়া হোসেনের নামও শোনা যাচ্ছে। প্রতিটি নির্বাচনে ওয়ার্ডে লিড দিয়েছেন। চেয়ারম্যান পদ ফাঁকা হওয়ায় নিজের ওয়ার্ডের লিড দেওয়ার পুরস্কারও পেতে পারেন এই কাউন্সিলার। জাকারিয়া বলেন, দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তবে এনিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি মন্ত্রী। বলেন, দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে মিডিয়ায় মন্তব্য করব না।
তবে সাবিরের প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ আরও এক কাউন্সিলার। মন্ত্রীর বাড়ি ২ নম্বর ওয়ার্ডে। ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলার চঞ্চল সাহা। রসিদ কাণ্ড তিনিই প্রকাশ্যে আনেন। দীর্ঘদিন ধরে উদয়ন গুহের সঙ্গে দল করেছেন। যে ঘটনার প্রেক্ষিতে পদত্যাগ করেছেন চেয়ারম্যান, সেই ঘটনা প্রকাশ্যে আনার পুরস্কার তিনিও পেতে পারেন। তিনি বলেন, মন্ত্রী কলকাতা গিয়েছেন। রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। শীর্ষ নেতারা যা সিদ্ধান্ত নেবেন তাই শিরোধার্য।
বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা কাউন্সিলার পার্থনাথ সরকারও এই দৌড়ে। সম্প্রতি কিছু ঘটনায় মন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক তিক্ত হয়। তৃণমূলের দুর্দিনের কর্মী। কলকাতার একাধিক শীর্ষ নেতার সঙ্গে আলাপ রয়েছে। সেই সূত্রে রাজ্য নেতৃত্বের নজর তাঁর প্রতিও পড়তে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। যদিও তিনি বলেন, পুরসভার একাধিক বিষয় নিয়ে দলের ভিতরে-বাইরে প্রতিবাদ করেছি। চেয়ারম্যান কে হবেন, তা নিয়ে মন্ত্রী বা দলের অন্য কোনও নেতার সঙ্গে আলোচনা হয়নি। রাজ্য নেতৃত্ব যাঁকেই করবেন, আমরা তাঁকেই মেনে নেব।
১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার জাকারিয়া হোসেনের নামও শোনা যাচ্ছে। প্রতিটি নির্বাচনে ওয়ার্ডে লিড দিয়েছেন। চেয়ারম্যান পদ ফাঁকা হওয়ায় নিজের ওয়ার্ডের লিড দেওয়ার পুরস্কারও পেতে পারেন এই কাউন্সিলার। জাকারিয়া বলেন, দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তবে এনিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি মন্ত্রী। বলেন, দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে মিডিয়ায় মন্তব্য করব না।



